ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রংপুর বিভাগকে বাজেট বৈষম্যের মধ্যে রাখা যাবে না: আখতার হোসেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান বিজেপি মন্ত্রীর জুলাই কোনো নির্দিষ্ট দলের নয় : রিজভী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাহুল গান্ধী শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে গণপিটুনি ও পুরুষাঙ্গে মরিচের গুঁড়া লাগালো এলাকাবাসী মাদক-চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে লাখ টাকা পুরস্কার দিল্লির আন্দোলন ঘিরে কঙ্গনার কড়া সমালোচনা আর্জেন্টিনাকে কাঁদানো ফেরান তোরেসের জীবনের গল্প আর্জেন্টিনার হারে মেসির পাশে দাঁড়ালেন অমিতাভ বচ্চন

হামলা চললে হরমুজ দিয়ে ‘এক ফোঁটা’ তেল-গ্যাসও যাবে না: ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা আরও তীব্র হচ্ছে। এবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাস পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস—আইআরজিসি। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ‘এক ফোঁটা’ তেল বা গ্যাসও পরিবহন করতে দেওয়া হবে না বলে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানের এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির দাবি, মার্কিন সামরিক চাপের মুখে বিকল্প রুট ব্যবহার করতে গিয়ে হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার বিস্ফোরণের শিকার হয়েছে এবং সেগুলো সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজগুলোর পরিচয় বা হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি ইরান। এ ঘটনার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সও।

এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও হামলা চলতে থাকলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ আর নিরাপদ থাকবে না। তাদের ভাষায়, শুধু তেল নয়, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কিংবা এক ফোঁটা গ্যাসও হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা সম্ভব হবে না।

এদিকে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের পাল্টা অভিযানেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে। আর এই ঘোষণার পর থেকেই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহিত জ্বালানির একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। তাই এই পথ বন্ধ হওয়ার যেকোনো আশঙ্কাই শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুর বিভাগকে বাজেট বৈষম্যের মধ্যে রাখা যাবে না: আখতার হোসেন

হামলা চললে হরমুজ দিয়ে ‘এক ফোঁটা’ তেল-গ্যাসও যাবে না: ইরান

আপডেট সময় ০১:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা আরও তীব্র হচ্ছে। এবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাস পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস—আইআরজিসি। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ‘এক ফোঁটা’ তেল বা গ্যাসও পরিবহন করতে দেওয়া হবে না বলে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানের এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির দাবি, মার্কিন সামরিক চাপের মুখে বিকল্প রুট ব্যবহার করতে গিয়ে হরমুজ প্রণালিতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার বিস্ফোরণের শিকার হয়েছে এবং সেগুলো সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজগুলোর পরিচয় বা হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি ইরান। এ ঘটনার সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সও।

এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও হামলা চলতে থাকলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ আর নিরাপদ থাকবে না। তাদের ভাষায়, শুধু তেল নয়, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কিংবা এক ফোঁটা গ্যাসও হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা সম্ভব হবে না।

এদিকে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের পাল্টা অভিযানেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে। আর এই ঘোষণার পর থেকেই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহিত জ্বালানির একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। তাই এই পথ বন্ধ হওয়ার যেকোনো আশঙ্কাই শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।