মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা যখন চরমে, তখনও ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। তবে ওয়াশিংটনের স্পষ্ট বার্তা—হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা বন্ধ করে আচরণে বাস্তব পরিবর্তন আনলেই কেবল আলোচনার পথ এগোবে।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধ করলে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পথ এখনও খোলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
রোববার রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার বিরোধী নয়। তবে যেকোনো সমঝোতা হতে হবে বাস্তবসম্মত এবং এমন, যা ইরান কার্যকরভাবে মেনে চলবে। তার অভিযোগ, এক সপ্তাহ আগে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং জাহাজে হামলা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথা থাকলেও, এর পরিবর্তে তেহরান তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে। তাই ইরানের আচরণে পরিবর্তন না এলে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও বদলাবে না।
রুবিও আরও দাবি করেন, ইরানের ভেতরে এখন দুটি ধারা তৈরি হয়েছে। একটি পক্ষ হামলা অব্যাহত রাখতে চাইলেও, অন্য পক্ষ দেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় আলোচনার পক্ষে। সেই গোষ্ঠী প্রাধান্য পেলে সংকট নিরসনের সম্ভাবনা বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
একই সঙ্গে ইরানের অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্য দেশটির নেতৃত্বকে দায়ী করে রুবিও বলেন, জনগণের উন্নয়নের বদলে তেহরান মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পেছনে অর্থ ব্যয় করছে।
হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই আলোচনার সুযোগের কথা বলছে ওয়াশিংটন। তবে এখন নজর থাকবে, উত্তেজনা কমাতে তেহরান বাস্তবেই কোনো পদক্ষেপ নেয় কি না।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























