ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রংপুর বিভাগকে বাজেট বৈষম্যের মধ্যে রাখা যাবে না: আখতার হোসেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান বিজেপি মন্ত্রীর জুলাই কোনো নির্দিষ্ট দলের নয় : রিজভী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাহুল গান্ধী শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে গণপিটুনি ও পুরুষাঙ্গে মরিচের গুঁড়া লাগালো এলাকাবাসী মাদক-চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে লাখ টাকা পুরস্কার দিল্লির আন্দোলন ঘিরে কঙ্গনার কড়া সমালোচনা আর্জেন্টিনাকে কাঁদানো ফেরান তোরেসের জীবনের গল্প আর্জেন্টিনার হারে মেসির পাশে দাঁড়ালেন অমিতাভ বচ্চন

গোল নেই, অ্যাসিস্টও নেই; তবু সেরা রদ্রি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৪৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

ফুটবলে সেরার মাপকাঠি কি শুধু গোল আর অ্যাসিস্ট? ২০২৬ বিশ্বকাপের পর সেই প্রশ্নের জবাব যেন নতুন করে দিলেন স্পেনের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রি। স্কোরশিটে নাম না থাকলেও, পুরো টুর্নামেন্টে দলের প্রাণভোমরা ছিলেন তিনিই। আর তাই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ফিফার ‘গোল্ডেন বল’ও উঠেছে তার হাতেই।

স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক রদ্রি। অথচ পুরো টুর্নামেন্টে তার নেই কোনো গোল, নেই কোনো অ্যাসিস্ট। তারপরও ফিফার বিচারে তিনিই হয়েছেন ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়।

এর কারণ, একজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে রদ্রির কাজ ছিল গোল করা নয়; বরং ম্যাচের ছন্দ নিয়ন্ত্রণ, মাঝমাঠে আধিপত্য বজায় রাখা, রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই তা থামিয়ে দেওয়া। পুরো বিশ্বকাপজুড়ে ঠিক এই কাজটিই নিখুঁতভাবে করেছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা।

পরিসংখ্যানও তার প্রভাবের সাক্ষ্য দেয়। আট ম্যাচে ৬৫০টির বেশি সফল পাস, অসংখ্য বল পুনরুদ্ধার, কার্যকর ট্যাকল এবং নিখুঁত পজিশনিংয়ে স্পেনের মাঝমাঠকে করেছেন অপ্রতিরোধ্য। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেন মাত্র একটি গোল হজম করেছে, যার পেছনেও ছিল রদ্রির গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করেও গোল্ডেন বল জিততে পারেননি। কারণ, ফিফা শুধু গোল বা অ্যাসিস্ট নয়, একজন ফুটবলারের সামগ্রিক প্রভাব, ধারাবাহিকতা, ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা এবং দলের সাফল্যে তার অবদানও মূল্যায়ন করে।

রদ্রির গোল্ডেন বল জয়ের গল্পটি মনে করিয়ে দেয়—ফুটবলে সব নায়ক স্কোরশিটে নাম লেখান না। কেউ কেউ পুরো ম্যাচের ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করেই হয়ে ওঠেন দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। আর সেই কারণেই ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি উঠেছে রদ্রির হাতেই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুর বিভাগকে বাজেট বৈষম্যের মধ্যে রাখা যাবে না: আখতার হোসেন

গোল নেই, অ্যাসিস্টও নেই; তবু সেরা রদ্রি

আপডেট সময় ১২:৪৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ফুটবলে সেরার মাপকাঠি কি শুধু গোল আর অ্যাসিস্ট? ২০২৬ বিশ্বকাপের পর সেই প্রশ্নের জবাব যেন নতুন করে দিলেন স্পেনের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রি। স্কোরশিটে নাম না থাকলেও, পুরো টুর্নামেন্টে দলের প্রাণভোমরা ছিলেন তিনিই। আর তাই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ফিফার ‘গোল্ডেন বল’ও উঠেছে তার হাতেই।

স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক রদ্রি। অথচ পুরো টুর্নামেন্টে তার নেই কোনো গোল, নেই কোনো অ্যাসিস্ট। তারপরও ফিফার বিচারে তিনিই হয়েছেন ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়।

এর কারণ, একজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে রদ্রির কাজ ছিল গোল করা নয়; বরং ম্যাচের ছন্দ নিয়ন্ত্রণ, মাঝমাঠে আধিপত্য বজায় রাখা, রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই তা থামিয়ে দেওয়া। পুরো বিশ্বকাপজুড়ে ঠিক এই কাজটিই নিখুঁতভাবে করেছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা।

পরিসংখ্যানও তার প্রভাবের সাক্ষ্য দেয়। আট ম্যাচে ৬৫০টির বেশি সফল পাস, অসংখ্য বল পুনরুদ্ধার, কার্যকর ট্যাকল এবং নিখুঁত পজিশনিংয়ে স্পেনের মাঝমাঠকে করেছেন অপ্রতিরোধ্য। পুরো টুর্নামেন্টে স্পেন মাত্র একটি গোল হজম করেছে, যার পেছনেও ছিল রদ্রির গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করেও গোল্ডেন বল জিততে পারেননি। কারণ, ফিফা শুধু গোল বা অ্যাসিস্ট নয়, একজন ফুটবলারের সামগ্রিক প্রভাব, ধারাবাহিকতা, ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা এবং দলের সাফল্যে তার অবদানও মূল্যায়ন করে।

রদ্রির গোল্ডেন বল জয়ের গল্পটি মনে করিয়ে দেয়—ফুটবলে সব নায়ক স্কোরশিটে নাম লেখান না। কেউ কেউ পুরো ম্যাচের ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করেই হয়ে ওঠেন দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। আর সেই কারণেই ২০২৬ বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি উঠেছে রদ্রির হাতেই।