ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চীনা যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশের পর তাইওয়ানের যুদ্ধ প্রস্তুতি মহড়ার ঘোষণা মেসিকে বিশ্বসেরা মানেন ইয়ামাল, তবে তাঁর আইডল নেইমার ১৫ বছরের নিচে শিশুদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করলো আরব আমিরাত ৬০০ কোটি ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান, ক্ষোভে ফুঁসছেন নেতানিয়াহু ইলিয়াস আলীর গুম নিয়ে জবানবন্দিতে মুখ খুললেন সেনাসদস্য ইমরুল বিশ্বকাপের পর ফুটবল ছেড়ে মসজিদের ইমাম হবেন মরক্কোর ডিফেন্ডার মাজরাউই! উজানের ঢলে তলিয়ে গেছে সিলেটের সাদাপাথর, বন্ধ পর্যটনকেন্দ্র কাতারে সড়ক দু’র্ঘ’ট’না’য় প্রা’ণ গেল ৫ বাংলাদেশির কারখানার কর্মী থেকে জার্মানির বিশ্বকাপ তারকা সৌদি আরবে শুটিংয়ে গিয়ে জিয়ানকার্লো এসপোসিতোর ইসলাম গ্রহণ

ইরান যুদ্ধ বন্ধ না করলে তেলশূন্য হয়ে পড়তাম আমরা: ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেছেন যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা এবং যুদ্ধের অবসান ঘটানো ছাড়া তার সামনে আর কোনো বাস্তব বিকল্প ছিল না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আবারও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে সংকট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা যদি ইরানে বোমাবর্ষণ অব্যাহত রাখতাম, তাহলে এখনই হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেত।

ট্রাম্প আরও বলেন, পুরো প্রণালীটি মাইন পেতে অচল করে দেওয়া হতো এবং বিলিয়ন ডলারের জাহাজগুলোর ওপর দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে বেড়াত। তখন এসব জাহাজ আর চলাচলের সাহস করত না এবং আমরা মাসের পর মাস কোনো তেল পেতাম না। যেসব মার্কিন সমালোচক মনে করেন যে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া উচিত ছিল এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া উচিত ছিল, তাদের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আরও কঠোর হওয়ার একমাত্র উপায় ছিল আরও দুই বা তিন সপ্তাহ সেখানে গিয়ে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাওয়া। কিন্তু তাতে আমাদের কী লাভ হতো? হরমুজ প্রণালী তো খুলতো না।

তিনি আরও বলেন, আমরা মাসের পর মাস তেল পেতাম না। যতক্ষণ বোমাবর্ষণ চলত, ততক্ষণ ওই প্রণালি কার্যত বন্ধই থাকত। আর সেটিই বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার কারণ হতে পারত। মার্কিন তেল মজুদের পরিসংখ্যানও প্রমাণ করে দেশটি এখনও সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের ঝুঁকির মুখে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বাণিজ্যিক তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র, কিউশিং যেখানে দেশটির তেলের মূল্য নির্ধারিত হয়, সেখানে অপরিশোধিত তেলের মজুদ কমে ২ কোটি ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

এছাড়া বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থাপনার জন্য গঠিত মার্কিন কৌশলগত তেল মজুদও ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছে, যার পরিমাণ বর্তমানে ৩৪ কোটি ব্যারেল। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় তেল কোম্পানির কর্মকর্তারা সতর্ক করে আসছেন: জুনের শেষ ভাগ থেকে জুলাইয়ের শুরুর দিকে দেশটির তেল মজুদ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যেখানে ঘাটতি পূরণের সক্ষমতা মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়বে। সূত্র: এবিবনেএ২৪ , একিসওজ

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশের পর তাইওয়ানের যুদ্ধ প্রস্তুতি মহড়ার ঘোষণা

ইরান যুদ্ধ বন্ধ না করলে তেলশূন্য হয়ে পড়তাম আমরা: ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:৩৮:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্বীকার করেছেন যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা এবং যুদ্ধের অবসান ঘটানো ছাড়া তার সামনে আর কোনো বাস্তব বিকল্প ছিল না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আবারও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে সংকট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা যদি ইরানে বোমাবর্ষণ অব্যাহত রাখতাম, তাহলে এখনই হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেত।

ট্রাম্প আরও বলেন, পুরো প্রণালীটি মাইন পেতে অচল করে দেওয়া হতো এবং বিলিয়ন ডলারের জাহাজগুলোর ওপর দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে বেড়াত। তখন এসব জাহাজ আর চলাচলের সাহস করত না এবং আমরা মাসের পর মাস কোনো তেল পেতাম না। যেসব মার্কিন সমালোচক মনে করেন যে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া উচিত ছিল এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া উচিত ছিল, তাদের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আরও কঠোর হওয়ার একমাত্র উপায় ছিল আরও দুই বা তিন সপ্তাহ সেখানে গিয়ে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাওয়া। কিন্তু তাতে আমাদের কী লাভ হতো? হরমুজ প্রণালী তো খুলতো না।

তিনি আরও বলেন, আমরা মাসের পর মাস তেল পেতাম না। যতক্ষণ বোমাবর্ষণ চলত, ততক্ষণ ওই প্রণালি কার্যত বন্ধই থাকত। আর সেটিই বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার কারণ হতে পারত। মার্কিন তেল মজুদের পরিসংখ্যানও প্রমাণ করে দেশটি এখনও সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের ঝুঁকির মুখে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বাণিজ্যিক তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র, কিউশিং যেখানে দেশটির তেলের মূল্য নির্ধারিত হয়, সেখানে অপরিশোধিত তেলের মজুদ কমে ২ কোটি ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

এছাড়া বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থাপনার জন্য গঠিত মার্কিন কৌশলগত তেল মজুদও ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি নেমে এসেছে, যার পরিমাণ বর্তমানে ৩৪ কোটি ব্যারেল। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় তেল কোম্পানির কর্মকর্তারা সতর্ক করে আসছেন: জুনের শেষ ভাগ থেকে জুলাইয়ের শুরুর দিকে দেশটির তেল মজুদ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যেখানে ঘাটতি পূরণের সক্ষমতা মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়বে। সূত্র: এবিবনেএ২৪ , একিসওজ