ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাওনা টাকার দাবিতে জানাজা আটকে রাখার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে, সমালোচনার ঝড় হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬,১৭৫ বাংলাদেশি হাজি, সৌদি আরবে মৃত্যু ৩৭ জনের ইরাক যুদ্ধকে ‘চরম বোকামি’ বললেন ট্রাম্প, ইরানেও মার্কিন উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন জেলা প্রশাসকের কাছে ১০ কোটি টাকার ব্যাখ্যা চাইলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ হাকিমপুরে কথিত বাংলাদেশিদের ভিড়, কী ঘটছে সীমান্তে জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা: রাশেদ খাঁন ঈদের ছুটিতে জবি ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে নূরজাহান বেগমের স্বপ্নপূরণ তৃণমূল নেতা অভিষেককে ডিম-জুতো নিক্ষেপ, হেলমেট পরে গেলেন নিহত কর্মীর বাড়িতে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার লাশের সামনে অঝোরে কাঁদলেন সাবেক এমপি সুজন

প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিলেন জুবায়েদ, মন গলেনি বর্ষার: ‍পুলিশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৪৪০ বার পড়া হয়েছে

এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসাইনকে হত্যার সময় ঘটনাস্থলেই ছিলেন তার ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা। তার কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইলেও তার মন গলেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জুবায়েদ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে পুলিশ।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, বাসায় পড়াতে গিয়ে জুবায়েদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বর্ষার। জুবায়েদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে মাহির রহমানের সঙ্গে ব্রেকআপ করেন বর্ষা। কিন্তু মাহিরকে ভুলতে পারছিলেন না বর্ষা। এক পর্যায়ে বর্ষা আর মাহির ২৩ দিন ধরে পরিকল্পনা করে জুবায়েদকে হত্যার।

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, প্রথমে ভয়ভীতি দেখাতে চাইলেও বর্ষার চাপে হত্যার পরিকল্পনা করে মাহির। সে নিজেই গলায় কোপ দেয় জুবায়েদকে। উল্লেখ্য, নিহত জুবায়েদ ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় বর্ষার বাসায় টিউশনে যাওয়ার পথে জুবায়েদের সঙ্গে দেখা হয় মাহিরের। এসময় দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কিছুক্ষণ পরই জুবায়েদ ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এদিকে, ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার দুপুরে জুবায়েদের প্রথম জানাজা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাওনা টাকার দাবিতে জানাজা আটকে রাখার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে, সমালোচনার ঝড়

প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিলেন জুবায়েদ, মন গলেনি বর্ষার: ‍পুলিশ

আপডেট সময় ০২:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসাইনকে হত্যার সময় ঘটনাস্থলেই ছিলেন তার ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা। তার কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাইলেও তার মন গলেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জুবায়েদ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে পুলিশ।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম জানান, বাসায় পড়াতে গিয়ে জুবায়েদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বর্ষার। জুবায়েদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে মাহির রহমানের সঙ্গে ব্রেকআপ করেন বর্ষা। কিন্তু মাহিরকে ভুলতে পারছিলেন না বর্ষা। এক পর্যায়ে বর্ষা আর মাহির ২৩ দিন ধরে পরিকল্পনা করে জুবায়েদকে হত্যার।

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, প্রথমে ভয়ভীতি দেখাতে চাইলেও বর্ষার চাপে হত্যার পরিকল্পনা করে মাহির। সে নিজেই গলায় কোপ দেয় জুবায়েদকে। উল্লেখ্য, নিহত জুবায়েদ ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় বর্ষার বাসায় টিউশনে যাওয়ার পথে জুবায়েদের সঙ্গে দেখা হয় মাহিরের। এসময় দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কিছুক্ষণ পরই জুবায়েদ ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এদিকে, ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার দুপুরে জুবায়েদের প্রথম জানাজা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।