আটক, লাঠিচার্জ, থানা—কোনো কিছুই দমাতে পারেনি আন্দোলনকারীদের। থানা থেকে মুক্তি পেয়েই আবারও দিল্লির যন্তর মন্তরে ফিরে এসেছেন প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, সোমবার পুলিশের অভিযানে আটক হওয়া অনেক শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারী মুক্তি পাওয়ার পর সরাসরি আন্দোলনস্থলে যোগ দেন। তাদের দাবি, এই অভিজ্ঞতা আন্দোলন থামানোর বদলে আরও দৃঢ় করেছে।
দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী কৃষ্ণা অভিযোগ করেন, আটকের সময় নারী পুলিশ সদস্যরা তার চুল ধরে টেনেছেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। অন্যদিকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সমীর দোরওয়াল জানান, জামিনে মুক্তি পেয়েই তিনি আবার আন্দোলনে ফিরে এসেছেন। তার ভাষায়, শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান সংকট তাকে প্রতিবাদ চালিয়ে যেতে বাধ্য করছে।
আইনের শিক্ষার্থী সিদ্ধার্থ বলেন, প্রথমে ভয় পেলেও পরে আন্দোলন থেকে সরে যাওয়ার কথা ভাবেননি। আলিগড় থেকে আসা সীমা যাদব ও তার কিশোরী মেয়েও আটকের পর আবার যন্তর মন্তরে ফিরে এসেছেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আন্দোলনের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ঘোষণা দেন, সোমবার আটক হওয়া সবাই মুক্তি পেয়েছেন। এরপর আন্দোলনস্থলে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। তাদের সঙ্গে সংহতি জানাতে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও সাধারণ মানুষ যন্তর মন্তরে যোগ দিচ্ছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















