ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই আহতদেরকে দেখতে প্রতি শনিবার সিএমএইচে যান সেনাপ্রধান: সারজিস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে জুলাই আহতদেরকে দেখতে প্রতি শনিবার সিএমএইচে যান সেনাপ্রধান—এমন তথ্য জানিয়েছেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। রবিবার (২৭ জুলাই) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন তথ্য জানান।

এদিকে ‘কয়েকটা আনপপুলার তথ্য দেই’ ক্যাপশনে সারজিস আলম লেখেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আজকে পর্যন্ত কিছু ব্যতিক্রম বাদে প্রত্যেক শনিবার সেনাপ্রধান সিএমএইচে গিয়েছেন সেখানে ভর্তি থাকা জুলাই আহতদেরকে দেখতে। যেটা সকল উপদেষ্টাদের মোট ভিজিট কম্বাইন্ড করলে তার চেয়ে বেশি হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে সিরিয়াস আহতদের কোয়ালিটিফুল ট্রিটমেন্ট নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা বাবদ ব্যক্তি প্রতি সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে ঢাকা সিএমএইচে। আহত এবং শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পর প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধান।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই আহতদেরকে দেখতে প্রতি শনিবার সিএমএইচে যান সেনাপ্রধান: সারজিস

আপডেট সময় ১১:৩২:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে জুলাই আহতদেরকে দেখতে প্রতি শনিবার সিএমএইচে যান সেনাপ্রধান—এমন তথ্য জানিয়েছেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। রবিবার (২৭ জুলাই) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন তথ্য জানান।

এদিকে ‘কয়েকটা আনপপুলার তথ্য দেই’ ক্যাপশনে সারজিস আলম লেখেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আজকে পর্যন্ত কিছু ব্যতিক্রম বাদে প্রত্যেক শনিবার সেনাপ্রধান সিএমএইচে গিয়েছেন সেখানে ভর্তি থাকা জুলাই আহতদেরকে দেখতে। যেটা সকল উপদেষ্টাদের মোট ভিজিট কম্বাইন্ড করলে তার চেয়ে বেশি হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে সিরিয়াস আহতদের কোয়ালিটিফুল ট্রিটমেন্ট নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা বাবদ ব্যক্তি প্রতি সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে ঢাকা সিএমএইচে। আহত এবং শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পর প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধান।’