শুরুটা প্রত্যাশামতো না হলেও শেষটা হয়েছে দারুণ। গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই নকআউট নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। তবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে সামনে অপেক্ষা করছে একের পর এক কঠিন পরীক্ষা।
রাউন্ড অব ৩২-এ ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ এশিয়ার শক্তিশালী দল জাপান। কাগজে-কলমে এগিয়ে থাকলেও জাপানকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই সেলেসাওদের সামনে।
জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে উঠতে পারলে ব্রাজিলের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে আইভরি কোস্ট অথবা নরওয়ে। দুই দলের লড়াইয়ে ফেভারিট হিসেবে ধরা হচ্ছে আর্লিং হলান্ডের নরওয়েকে। গ্রুপ পর্বে দারুণ ছন্দে থাকা নরওয়ে ইতোমধ্যেই নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে।
তবে শেষ ষোলোর বাধা পেরোলেও স্বস্তির সুযোগ নেই ব্রাজিলের। কারণ কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের জন্য অপেক্ষা করতে পারে ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি ইংল্যান্ড।
এবারের বিশ্বকাপের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে ইংল্যান্ডকে। তারকায় ঠাসা দলটির গভীরতা এতটাই শক্তিশালী যে বিশ্বমানের কয়েকজন ফুটবলারও জায়গা পাননি মূল স্কোয়াডে। গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকেই নকআউট নিশ্চিত করেছে ইংলিশরা।
ফলে রাউন্ড অব ৩২ এবং শেষ ষোলোর বাধা পেরোতে পারলে ফুটবলপ্রেমীরা দেখতে পারেন বহুল প্রতীক্ষিত ব্রাজিল-ইংল্যান্ড মহারণ।
আর সেই পরীক্ষাতেও উতরে গেলে সেমিফাইনালে অপেক্ষা করতে পারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দুই ফুটবল পরাশক্তির।
অর্থাৎ হেক্সা মিশনের পথে ব্রাজিলের সামনে শুধু একটি নয়, রয়েছে একাধিক কঠিন বাধা। জাপান, সম্ভাব্য নরওয়ে, এরপর ইংল্যান্ড এবং তারপর আর্জেন্টিনা—শিরোপার মঞ্চে পৌঁছাতে হলে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, নেইমারদের পাড়ি দিতে হবে বিশ্বের সেরাদের বিপক্ষে একের পর এক মহারণ।
ষষ্ঠ তারার স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে। তবে সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে ব্রাজিলকে হয়তো পাড়ি দিতে হবে বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন পথগুলোর একটি।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















