ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
একমাত্র ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে ৩০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়লেন মেসি আর্জেন্টিনা–কেপ ভার্দে ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে বড় সতর্কবার্তা, বন্ধ থাকতে পারে খেলা নেইমারের মন খারাপ, নরওয়ে ম্যাচের আগে আনচেলত্তি দিলেন বড় বার্তা আর্জেন্টিনাকে হারাতে যে পরিকল্পনায় খেলবে কেপ ভার্দে মুক্তিযুদ্ধের সময় আ.লীগ গণমানুষের দল ছিল, পরে স্বৈরাচারী রূপ ধারণ করে: প্রতিমন্ত্রী নূর খামেনির কফিনের ওপর আরবি লেখার অর্থ কী? বিয়ের ৮ বছর পর মা হচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইরানে গিয়ে খামেনিকে শ্রদ্ধা জানালেন জামায়াতের নায়েবে আমির-পাটওয়ারী-হানজালা দেশে এখন মুক্ত পরিবেশে কথা বলার সুযোগ তৈরি হয়েছে: রিজভী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ আমন্ত্রণ জানান

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের আত্মিক বন্ধন অটুট: ফজলুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫০১ বার পড়া হয়েছে

 

বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে স্বাধীন ও পৃথক রাষ্ট্র হলেও দুই দেশের আত্মিক বন্ধন এখনো অটুট রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পাকিস্তানের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান।

তিনি বলেন, “মানুষের প্রথম ও মৌলিক অধিকার হলো স্বাধীনতা। ভারত উপমহাদেশের স্বাধীনতার জন্য অসংখ্য আলেম তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমার পিতা মুফতি মাহমুদ (রহ.) এবং ফিদায়ে মিল্লাত মাওলানা আস‘আদ মাদানী (রহ.) বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমাদের কামনা।”

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি ফিদায়ে মিল্লাত মাওলানা সাইয়েদ আস‘আদ মাদানী (রহ.) এর জীবন ও কর্ম নিয়ে আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক ফিদায়ে মিল্লাত কনফারেন্সে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া এবং ফিদায়ে মিল্লাত ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা মাসরুর আহমদ। যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, মুফতি নাছির উদ্দিন খান, মুফতি জাবের কাসেমী ও মাওলানা সাইফুদ্দিন ইউছুফ ফাহিম।

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতের সভাপতি মাওলানা সাইয়েদ মাহমুদ মাদানী বলেন, “আমার পিতা ফিদায়ে মিল্লাত মাওলানা সাইয়েদ আস‘আদ মাদানী (রহ.) ছিলেন দ্বীনের এক নিবেদিতপ্রাণ সৈনিক। ইসলাম, মুসলমান, দেশ ও উম্মাহর কল্যাণে তিনি সারাজীবন নিরলসভাবে কাজ করেছেন। নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, এমনকি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে দিল্লির রাজপথে মিছিলও করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামিক স্কলারদের উপস্থিতিতে আমরা তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন—মাওলানা আস‘আদ মাদানীর ছোট ছেলে মাওলানা মওদুদ মাদানী, জমিয়তে উলামা পাকিস্তানের মাওলানা খালেদ সিদ্দিকী এমপি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা আব্দুল গফুর হায়দারী, মাওলানা ফয়সাল নাদিম, মুফতি শাহ সদরুদ্দিন (ইউরোপ), মাওলানা আলিমুদ্দিন দুর্লভপুরী, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা ড. শুয়াইব আহমদ, মাওলানা ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, মাওলানা রশিদ বিন ওয়াক্কাস, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান, মাওলানা তৈয়বুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা শেখ নূরে আলম হামিদী, মাওলানা জামিল আহমদ আনসারী, মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মতিউর রহমান গাজীপুরী, মাওলানা লোকমান মাযহারী, মাওলানা শামসুল আরেফিন খান সাদী, মুফতি রেদওয়ানুল বারী সিরাজী, মাওলানা জয়নুল আবেদিন, মাওলানা আবুল হোসেন চতুলী ও মাওলানা আবির প্রমুখ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

একমাত্র ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে ৩০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়লেন মেসি

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের আত্মিক বন্ধন অটুট: ফজলুর রহমান

আপডেট সময় ০৯:০৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

 

বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে স্বাধীন ও পৃথক রাষ্ট্র হলেও দুই দেশের আত্মিক বন্ধন এখনো অটুট রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পাকিস্তানের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান।

তিনি বলেন, “মানুষের প্রথম ও মৌলিক অধিকার হলো স্বাধীনতা। ভারত উপমহাদেশের স্বাধীনতার জন্য অসংখ্য আলেম তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমার পিতা মুফতি মাহমুদ (রহ.) এবং ফিদায়ে মিল্লাত মাওলানা আস‘আদ মাদানী (রহ.) বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমাদের কামনা।”

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি ফিদায়ে মিল্লাত মাওলানা সাইয়েদ আস‘আদ মাদানী (রহ.) এর জীবন ও কর্ম নিয়ে আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক ফিদায়ে মিল্লাত কনফারেন্সে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া এবং ফিদায়ে মিল্লাত ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা মাসরুর আহমদ। যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, মুফতি নাছির উদ্দিন খান, মুফতি জাবের কাসেমী ও মাওলানা সাইফুদ্দিন ইউছুফ ফাহিম।

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতের সভাপতি মাওলানা সাইয়েদ মাহমুদ মাদানী বলেন, “আমার পিতা ফিদায়ে মিল্লাত মাওলানা সাইয়েদ আস‘আদ মাদানী (রহ.) ছিলেন দ্বীনের এক নিবেদিতপ্রাণ সৈনিক। ইসলাম, মুসলমান, দেশ ও উম্মাহর কল্যাণে তিনি সারাজীবন নিরলসভাবে কাজ করেছেন। নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, এমনকি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে দিল্লির রাজপথে মিছিলও করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামিক স্কলারদের উপস্থিতিতে আমরা তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন—মাওলানা আস‘আদ মাদানীর ছোট ছেলে মাওলানা মওদুদ মাদানী, জমিয়তে উলামা পাকিস্তানের মাওলানা খালেদ সিদ্দিকী এমপি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা আব্দুল গফুর হায়দারী, মাওলানা ফয়সাল নাদিম, মুফতি শাহ সদরুদ্দিন (ইউরোপ), মাওলানা আলিমুদ্দিন দুর্লভপুরী, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা ড. শুয়াইব আহমদ, মাওলানা ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, মাওলানা রশিদ বিন ওয়াক্কাস, মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান, মাওলানা তৈয়বুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা শেখ নূরে আলম হামিদী, মাওলানা জামিল আহমদ আনসারী, মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মতিউর রহমান গাজীপুরী, মাওলানা লোকমান মাযহারী, মাওলানা শামসুল আরেফিন খান সাদী, মুফতি রেদওয়ানুল বারী সিরাজী, মাওলানা জয়নুল আবেদিন, মাওলানা আবুল হোসেন চতুলী ও মাওলানা আবির প্রমুখ।