ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

বঙ্গোপসাগরে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘সেনিয়ার’, বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:১৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৮২ বার পড়া হয়েছে

 

সাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড় তৈরির সতর্কতা জানিয়েছে আবহাওয়া পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো। স্ট্রেইট অব মালাক্কা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় তৈরি হওয়া একটি লঘুচাপ আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। অনুকূল পরিবেশে এটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ আন্দামান সাগর এলাকায় প্রবেশ করে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) দেশের বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এসব তথ্য জানিয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, লঘুচাপটি ২৫-২৭ নভেম্বরের মধ্যে গভীর নিম্নচাপ এবং পরে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর সম্ভাব্য নাম হতে পারে ‘সেনিয়ার’।

আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, ২৮-২৯ নভেম্বর নাগাদ এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মধ্য ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে এবং তখন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংগত পরিবেশ বজায় থাকলে ঘূর্ণিঝড়টি দিক পরিবর্তন করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, ১-২ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ উপকূলের মধ্যে কোনো অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। তবে পুরোপুরি সুগঠিত হওয়ার আগে আঘাতের সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

বিডব্লিউওটি বলেছে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশে একটি বৃষ্টিবলয় সক্রিয় হতে পারে, যা ৩০ নভেম্বর বা ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে দুই থেকে তিন দিন স্থায়ী হতে পারে। প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের তুলনায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি হতে পারে।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাস্তায় ফেলে যাওয়া বৃদ্ধের দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘সেনিয়ার’, বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা

আপডেট সময় ০৭:১৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

 

সাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড় তৈরির সতর্কতা জানিয়েছে আবহাওয়া পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো। স্ট্রেইট অব মালাক্কা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় তৈরি হওয়া একটি লঘুচাপ আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। অনুকূল পরিবেশে এটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ আন্দামান সাগর এলাকায় প্রবেশ করে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) দেশের বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এসব তথ্য জানিয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, লঘুচাপটি ২৫-২৭ নভেম্বরের মধ্যে গভীর নিম্নচাপ এবং পরে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর সম্ভাব্য নাম হতে পারে ‘সেনিয়ার’।

আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, ২৮-২৯ নভেম্বর নাগাদ এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মধ্য ও পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে পারে এবং তখন শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংগত পরিবেশ বজায় থাকলে ঘূর্ণিঝড়টি দিক পরিবর্তন করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। সর্বশেষ পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, ১-২ ডিসেম্বরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ উপকূলের মধ্যে কোনো অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। তবে পুরোপুরি সুগঠিত হওয়ার আগে আঘাতের সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

বিডব্লিউওটি বলেছে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশে একটি বৃষ্টিবলয় সক্রিয় হতে পারে, যা ৩০ নভেম্বর বা ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে দুই থেকে তিন দিন স্থায়ী হতে পারে। প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের তুলনায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি হতে পারে।