ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গভীর নলকূপের পাইপে পড়ে যাওয়া শিশুকে জীবিত উদ্ধার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে

 

রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের পাইপে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে অবশেষে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৮টা ৫০ মিনিটে তাকে উদ্ধার করা হয় এবং বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে কোয়েলহাট গ্রামের মাঠের পাশ দিয়ে মায়ের সঙ্গে হাঁটার সময় অসাবধানতাবশত পরিত্যক্ত ওই গর্তে পড়ে যায় সাজিদ। মায়ের আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধার প্রচেষ্টা চালালেও ব্যর্থ হলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি ইউনিট এসে অভিযান শুরু করে।

প্রথমে চার্জ ভিশন ক্যামেরা দিয়ে প্রায় ৩৫ ফুট পর্যন্ত অনুসন্ধান চালানো হলেও শিশুকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে রাতভর এস্কেভেটর দিয়ে পাশেই প্রায় ৩৫ ফুট গভীর গর্ত খনন করা হয় এবং সেখান থেকে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার চেষ্টা করা হলেও শিশুর অবস্থান মেলেনি। পুনরায় ক্যামেরা নামালে মাটির স্তূপ ছাড়া কিছু দেখা যায়নি। এরপর নতুন করে খনন শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, এবং শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা জানান, সেচের জন্য বছরখানেক আগে খোঁড়া নলকূপে পানি না ওঠায় সেটি মাটি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে মাটি ধসায় গর্তটি আবারও উন্মুক্ত হয়ে যায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে। শিশুটির মা রুনা খাতুন জানান, হাঁটার সময় খড় বিছানো থাকায় গর্তটি বুঝতে পারেননি। হঠাৎ করে সাজিদ ‘মা’ বলে ডাকলে তিনি বুঝতে পারেন যে সন্তানটি গর্তে পড়ে গেছে।

ইউএনও নাঈমা খান শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসিতে ৯ বোর্ডে একই প্রশ্ন, ফাঁস ঠেকাতে বাড়তি নজর

গভীর নলকূপের পাইপে পড়ে যাওয়া শিশুকে জীবিত উদ্ধার

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

 

রাজশাহীর তানোরে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের পাইপে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে অবশেষে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ৮টা ৫০ মিনিটে তাকে উদ্ধার করা হয় এবং বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে কোয়েলহাট গ্রামের মাঠের পাশ দিয়ে মায়ের সঙ্গে হাঁটার সময় অসাবধানতাবশত পরিত্যক্ত ওই গর্তে পড়ে যায় সাজিদ। মায়ের আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধার প্রচেষ্টা চালালেও ব্যর্থ হলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি ইউনিট এসে অভিযান শুরু করে।

প্রথমে চার্জ ভিশন ক্যামেরা দিয়ে প্রায় ৩৫ ফুট পর্যন্ত অনুসন্ধান চালানো হলেও শিশুকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে রাতভর এস্কেভেটর দিয়ে পাশেই প্রায় ৩৫ ফুট গভীর গর্ত খনন করা হয় এবং সেখান থেকে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার চেষ্টা করা হলেও শিশুর অবস্থান মেলেনি। পুনরায় ক্যামেরা নামালে মাটির স্তূপ ছাড়া কিছু দেখা যায়নি। এরপর নতুন করে খনন শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, এবং শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা জানান, সেচের জন্য বছরখানেক আগে খোঁড়া নলকূপে পানি না ওঠায় সেটি মাটি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে মাটি ধসায় গর্তটি আবারও উন্মুক্ত হয়ে যায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে। শিশুটির মা রুনা খাতুন জানান, হাঁটার সময় খড় বিছানো থাকায় গর্তটি বুঝতে পারেননি। হঠাৎ করে সাজিদ ‘মা’ বলে ডাকলে তিনি বুঝতে পারেন যে সন্তানটি গর্তে পড়ে গেছে।

ইউএনও নাঈমা খান শিশুটিকে জীবিত উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।