ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এবার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে ‘চোর’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আদিবাসীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের এবার দেশের বাজারের চিনিতেও মিলল ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক আজ সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির মোদি সরকারের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ, ফের ভারতজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান, সভাপতিত্ব করবেন খলিলুর রহমান বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সার্কিট হাউসে আশ্রয় নিয়েছিলেন সারজিস নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন সারজিস-পাটোয়ারীর ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে এনসিপির বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ভিসা জটিলতা ও রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলতে মেক্সিকোয় পৌঁছেছে ইরান ফুটবল দল। তবে দলটির অন্তত ১৫ জন কর্মকর্তা এখনও পাননি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা। যার ফলে অভিযোগ উঠছে, ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে ‘রাজনীতির শিকারহচ্ছে ইরান। স্থানীয় বাসিন্দা সাদেঘ গালাভি ভোরে বিমানবন্দরে হাজির হয়ে দলকে স্বাগত জানান। ইরানের জার্সি পরিহিত এই সমর্থক বলেন, ‘আমার জাতীয় দল আমার শহরে এসেছে। তাদের স্বাগত জানাতে পারা আমার জন্য গর্বের।

তবে বিশ্বকাপ যাত্রার শুরুতেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ইরান। খেলোয়াড়রা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা পেলেও প্রতিনিধিদলের সব সদস্য সেই অনুমতি পাননি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজসহ প্রায় ১৫ জন কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মীর ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে গালাভি বলেন, ‘খেলাধুলা শান্তির প্রতীক হওয়া উচিত। যখন রাজনীতি ও খেলাধুলা একসঙ্গে মিশে যায়, তখন সেটি ভালো ফল বয়ে আনে না।

বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের রাজনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘদিনের। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দেশটির বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ফিফার অবস্থানের কারণে ইরানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। তবে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইরান তাদের পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতি শিবির টাকসন থেকে সরিয়ে তিহুয়ানায় স্থানান্তর করে।

বিশ্বকাপে ইরানের গ্রুপ পর্বের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম, ও মিসর। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে কখনোই গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি ইরান। তবে সমর্থকদের বিশ্বাস, চলমান সংকট দলটিকে দুর্বল না করে বরং আরও ঐক্যবদ্ধ করবে। ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে আসা ইরানিআমেরিকান সমর্থক সিনা মোঘাদ্দাম বলেন, ‘ইরানের ইতিহাস হাজার বছরের। এ ধরনের পরিস্থিতি আমাদের আরও শক্তিশালী করে, দুর্বল নয়।

দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিহুয়ানায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সশস্ত্র পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর বহরের নিরাপত্তায় দলকে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি অনুশীলন ভেন্যু এস্তাদিও কালিয়েন্তের আশপাশেও বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ছেলেকে নিয়ে তিহুয়ানায় আসা আরেক সমর্থক হোসেইন নিকইয়ার বলেন, ‘ফিফা বলে বিশ্বকাপে রাজনীতির কোনো জায়গা নেই, সবই ফেয়ার প্লে। কিন্তু বাস্তবে আমরা ভিন্ন চিত্রই দেখছি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে ‘চোর’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে ‘রাজনীতির শিকার’ হচ্ছে ইরান

আপডেট সময় ১২:১০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

এবার ভিসা জটিলতা ও রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলতে মেক্সিকোয় পৌঁছেছে ইরান ফুটবল দল। তবে দলটির অন্তত ১৫ জন কর্মকর্তা এখনও পাননি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা। যার ফলে অভিযোগ উঠছে, ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে ‘রাজনীতির শিকারহচ্ছে ইরান। স্থানীয় বাসিন্দা সাদেঘ গালাভি ভোরে বিমানবন্দরে হাজির হয়ে দলকে স্বাগত জানান। ইরানের জার্সি পরিহিত এই সমর্থক বলেন, ‘আমার জাতীয় দল আমার শহরে এসেছে। তাদের স্বাগত জানাতে পারা আমার জন্য গর্বের।

তবে বিশ্বকাপ যাত্রার শুরুতেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ইরান। খেলোয়াড়রা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা পেলেও প্রতিনিধিদলের সব সদস্য সেই অনুমতি পাননি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজসহ প্রায় ১৫ জন কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মীর ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে গালাভি বলেন, ‘খেলাধুলা শান্তির প্রতীক হওয়া উচিত। যখন রাজনীতি ও খেলাধুলা একসঙ্গে মিশে যায়, তখন সেটি ভালো ফল বয়ে আনে না।

বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের রাজনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘদিনের। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দেশটির বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ফিফার অবস্থানের কারণে ইরানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। তবে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইরান তাদের পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতি শিবির টাকসন থেকে সরিয়ে তিহুয়ানায় স্থানান্তর করে।

বিশ্বকাপে ইরানের গ্রুপ পর্বের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম, ও মিসর। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে কখনোই গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি ইরান। তবে সমর্থকদের বিশ্বাস, চলমান সংকট দলটিকে দুর্বল না করে বরং আরও ঐক্যবদ্ধ করবে। ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে আসা ইরানিআমেরিকান সমর্থক সিনা মোঘাদ্দাম বলেন, ‘ইরানের ইতিহাস হাজার বছরের। এ ধরনের পরিস্থিতি আমাদের আরও শক্তিশালী করে, দুর্বল নয়।

দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিহুয়ানায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সশস্ত্র পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর বহরের নিরাপত্তায় দলকে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি অনুশীলন ভেন্যু এস্তাদিও কালিয়েন্তের আশপাশেও বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ছেলেকে নিয়ে তিহুয়ানায় আসা আরেক সমর্থক হোসেইন নিকইয়ার বলেন, ‘ফিফা বলে বিশ্বকাপে রাজনীতির কোনো জায়গা নেই, সবই ফেয়ার প্লে। কিন্তু বাস্তবে আমরা ভিন্ন চিত্রই দেখছি।