পশ্চিমবঙ্গের বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষকে অনুপ্রবেশকারী নয়, বরং আইনি কাঠামো অনুযায়ী শরণার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
শনিবার (১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গে ১৬তম ডিজিটাল জনগণনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে থাকার সুযোগ নেই। নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ প্রক্রিয়া চলবে। তবে প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ সালের মধ্যে ধর্মীয় নির্যাতন বা প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশ থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা যাবে না এবং পুলিশও তাদের হয়রানি করতে পারবে না।
এদিকে শনিবার থেকেই ভারতের অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হয়েছে ১৬তম জাতীয় জনগণনা। এবারই প্রথমবারের মতো পুরো জনগণনা প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। নাগরিকদের জন্য ‘সেলফ এনুমারেশন’ বা স্ব-গণনার সুযোগও রাখা হয়েছে।
প্রথম ধাপে ১ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত নাগরিকরা অনলাইনে নিজেদের তথ্য সরকারি পোর্টালে জমা দিতে পারবেন। দ্বিতীয় ধাপে সরকারি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই তথ্য যাচাই করবেন।
বক্তব্যে অতীতের একটি ঘটনার উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগের সরকারের সময় বীরভূমে ভুলবশত এক ভারতীয় নাগরিককে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার নিশ্চিত করবে, নাগরিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হন।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















