ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নতুন ধারা বাংলাদেশের মোমিন মেহেদী ও শান্তা ফারজানাসহ গ্রেপ্তার ৬ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল কোনো শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তোলেনি অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে – তারেক রহমান জুলাইয়ের পরে বেঁচে থাকাটাই আমাদের অপরাধ: মাহিন বাংলাদেশ আর কখনই তাবেদার রাষ্ট্র হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ একবারই স্বাধীন হয়েছে, জুলাই সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: হাসিনাকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ভারত সম্ভবত আর শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না: আসিফ মাহমুদ ‘শেখ হাসিনা ফিরতে পারেন, তবে…’ ট্রাম্প ৭৫ বার ‘হরমুজ খোলা’, ১০৬ বার ‘ইরানের পরাজয়ের’ মিথ্যা দাবি করেছেন

মোজতবা খামেনিকে খুঁজতে হিমশিম যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের গোয়েন্দারা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির অবস্থান শনাক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ইলেকট্রনিক নজরদারি কার্যকর না হওয়ায় এখন মানব গোয়েন্দা তথ্যের (হিউম্যান ইন্টেলিজেন্স) ওপরই বেশি নির্ভর করছে তারা। এমন তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টাইমস

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে আসেননি। তার শারীরিক অবস্থা নিয়েও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। কেউ বলছে তিনি সামান্য আহত, আবার কেউ দাবি করছে তার আঘাত ছিল গুরুতর।

দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে মোজতবা মোবাইল ফোন, কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিজিটাল যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেননি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কোনো ভূগর্ভস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছেন।

মোসাদের সাবেক কর্মকর্তা আভনার আব্রাহাম দাবি করেন, মোজতবার অবস্থান গোপন রাখতে ইরান শুধু কঠোর নিরাপত্তাই জোরদার করেনি, তার মতো দেখতে একাধিক ব্যক্তিকেও ব্যবহার করছে। এমনকি নিরাপত্তার কারণেই তিনি তার বাবার জানাজা ও দাফনেও অংশ নেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ক্ষেত্রে যে ধরনের সাইবার নজরদারি কার্যকর হয়েছিল, মোজতবার ক্ষেত্রে তা সফল হয়নি। তাই এখন গোয়েন্দাদের প্রধান ভরসা মানব গোয়েন্দা তথ্য।

মোসাদের আরেক সাবেক কর্মকর্তা রামি ইগ্রা বলেন, মোজতবা ডিজিটাল যোগাযোগ এড়িয়ে লিখিত বার্তা বা বিশ্বস্ত বার্তাবাহকের মাধ্যমে যোগাযোগ চালিয়ে যেতে পারেন। তার অবস্থান শনাক্তে মানব গোয়েন্দা তথ্যই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে, যেমনটি একসময় আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে হয়েছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের মানব গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক সীমিত হলেও ইসরায়েলের সক্ষমতা তুলনামূলক শক্তিশালী। এ কারণে তেহরানের পাশাপাশি ধর্মীয় নগরী কোমের আশপাশের সম্ভাব্য ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর ওপরও নজর রাখা হচ্ছে।

এদিকে, ইরানি সংবাদমাধ্যম আল-মাশহারি দাবি করেছে, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যাতে অডিও বিশ্লেষণ করে অবস্থান শনাক্ত করতে না পারে, সে কারণেই মোজতবা খামেনির কোনো অডিও বার্তা প্রকাশ করা হচ্ছে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন ধারা বাংলাদেশের মোমিন মেহেদী ও শান্তা ফারজানাসহ গ্রেপ্তার ৬

মোজতবা খামেনিকে খুঁজতে হিমশিম যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের গোয়েন্দারা

আপডেট সময় ০৪:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির অবস্থান শনাক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। ইলেকট্রনিক নজরদারি কার্যকর না হওয়ায় এখন মানব গোয়েন্দা তথ্যের (হিউম্যান ইন্টেলিজেন্স) ওপরই বেশি নির্ভর করছে তারা। এমন তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টাইমস

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে আসেননি। তার শারীরিক অবস্থা নিয়েও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। কেউ বলছে তিনি সামান্য আহত, আবার কেউ দাবি করছে তার আঘাত ছিল গুরুতর।

দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে মোজতবা মোবাইল ফোন, কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিজিটাল যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেননি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কোনো ভূগর্ভস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছেন।

মোসাদের সাবেক কর্মকর্তা আভনার আব্রাহাম দাবি করেন, মোজতবার অবস্থান গোপন রাখতে ইরান শুধু কঠোর নিরাপত্তাই জোরদার করেনি, তার মতো দেখতে একাধিক ব্যক্তিকেও ব্যবহার করছে। এমনকি নিরাপত্তার কারণেই তিনি তার বাবার জানাজা ও দাফনেও অংশ নেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ক্ষেত্রে যে ধরনের সাইবার নজরদারি কার্যকর হয়েছিল, মোজতবার ক্ষেত্রে তা সফল হয়নি। তাই এখন গোয়েন্দাদের প্রধান ভরসা মানব গোয়েন্দা তথ্য।

মোসাদের আরেক সাবেক কর্মকর্তা রামি ইগ্রা বলেন, মোজতবা ডিজিটাল যোগাযোগ এড়িয়ে লিখিত বার্তা বা বিশ্বস্ত বার্তাবাহকের মাধ্যমে যোগাযোগ চালিয়ে যেতে পারেন। তার অবস্থান শনাক্তে মানব গোয়েন্দা তথ্যই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে, যেমনটি একসময় আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে হয়েছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের মানব গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক সীমিত হলেও ইসরায়েলের সক্ষমতা তুলনামূলক শক্তিশালী। এ কারণে তেহরানের পাশাপাশি ধর্মীয় নগরী কোমের আশপাশের সম্ভাব্য ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর ওপরও নজর রাখা হচ্ছে।

এদিকে, ইরানি সংবাদমাধ্যম আল-মাশহারি দাবি করেছে, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যাতে অডিও বিশ্লেষণ করে অবস্থান শনাক্ত করতে না পারে, সে কারণেই মোজতবা খামেনির কোনো অডিও বার্তা প্রকাশ করা হচ্ছে না।