ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খোলা আকাশের নিচে জুতা সেলাই করেন বাবা, পাশেই বসে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন বুনছে ছোট্ট প্রিয়জিত বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত তসলিমা নাসরিনের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিলেন শুভেন্দু কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে প্রতিবেশী দেশগুলোকে যে বার্তা দিল ইরান আসিয়ানে বাংলাদেশের সদস্যপদের সম্ভাবনা নেই: মহাসচিব ‎রাজধানীর উত্তর সিটি প্রশাসক ও এমপির ওপর হামলার অভিযোগ ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ করতে হলে ১৯৭২-এর সংবিধান বাতিল করতে হবে: ফরহাদ মজহার জুলাই সনদ-বিচার ইস্যুতে তোপের মুখে মাহদী আমিন ‘ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে’ ঢাকা মাতাবেন পাকিস্তানি র‍্যাপার হাসান রহিম ইসরায়েলে তীব্র তাপপ্রবাহ, সতর্কতা জারি

তারেক রহমানের সরকার শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। চলতি অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামীতে শিক্ষা খাতের বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১ আগস্ট) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত বছর শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা। এবার তা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য শিক্ষা খাতে আরও বেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা।

তিনি বলেন, সরকার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের একটি ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এ লক্ষ্যে শিক্ষা, গবেষণা এবং অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। দেশের ভবিষ্যৎ গঠনের দায়িত্ব এখন তরুণদের হাতে। তিনি পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মেধার কোনো সীমান্ত নেই। বিদেশে থাকা মেধাবীরা দেশে ফিরে আসছেন, একইভাবে দেশের শিক্ষার্থীদেরও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও শিক্ষার প্রসারে কাজ করেছেন। বর্তমান সরকারও শিক্ষা, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনূর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল এবং মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেনসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খোলা আকাশের নিচে জুতা সেলাই করেন বাবা, পাশেই বসে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন বুনছে ছোট্ট প্রিয়জিত

তারেক রহমানের সরকার শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। চলতি অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামীতে শিক্ষা খাতের বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১ আগস্ট) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত বছর শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা। এবার তা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য শিক্ষা খাতে আরও বেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করা।

তিনি বলেন, সরকার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের একটি ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এ লক্ষ্যে শিক্ষা, গবেষণা এবং অবকাঠামো উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। দেশের ভবিষ্যৎ গঠনের দায়িত্ব এখন তরুণদের হাতে। তিনি পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মেধার কোনো সীমান্ত নেই। বিদেশে থাকা মেধাবীরা দেশে ফিরে আসছেন, একইভাবে দেশের শিক্ষার্থীদেরও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও শিক্ষার প্রসারে কাজ করেছেন। বর্তমান সরকারও শিক্ষা, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনূর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল এবং মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেনসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।