ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ ষোলোতে মুখোমুখি দুই মুসলিম দেশ নকআউটের আগে ফ্রান্সের দুশ্চিন্তা বাড়াল নতুন দুঃসংবাদ ইতিহাস বলছে এবারের চ্যাম্পিয়ন হবে ব্রাজিল নরওয়ে ম্যাচে নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ব্রাজিলের মেসিই ভরসা, নাকি এটাই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা? খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে ‘আমেরিকার ধ্বংস’ আর ‘প্রতিশোধের’ স্লোগান জামায়াতের মধ্যে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা একটি নেয়ামত, যা অন্য কোনো সংগঠনে নেই: ডা. শফিকুর রহমান ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের সময় বদলের গুঞ্জন, জানাল ফিফা বৈরি আবহাওয়ার আশঙ্কা, ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের সময় পরিবর্তন নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিলো ফিফা তারেক রহমানকে ১০ বছর সময় দিতে হবে, কোনো কথা চলবে না: জুলাই যোদ্ধা শাহিন

আমি সবার কাছে সব কিছু বলি না, চীন কিছু করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ: তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩১:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

এবার তাইওয়ান নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবে না চীন, কারণ তারা জানে এর পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। এমনটাই দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে সোমবার (৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু। ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় চীন তাইওয়ান নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবে না বলে বেইজিংয়ের কর্মকর্তারা তাকে আশ্বস্ত করেছেন, কারণ তারা এর “পরিণতি জানে”।

রোববার সিবিএস নিউজে প্রচারিত ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজেও বলেছেন, তার কর্মকর্তারাও বলেছেন— আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদকালে তাইওয়ান নিয়ে কিছু করব না, কারণ তারা পরিণতি বোঝে।” চীন যদি তাইওয়ানে হামলা চালায়, তাহলে তাইওয়ানকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্র সেনা পাঠাবে কিনা— এমন প্রশ্নে ট্রাম্প সরাসরি উত্তর দেননি। তবে তিনি বলেন, “যদি এমন কিছু ঘটে, তখন জানতে পারবেন। আর শি জিনপিংও উত্তরটা ভালোভাবেই জানেন।”

ট্রাম্প জানান, দক্ষিণ কোরিয়া সফরের সময় গত বৃহস্পতিবার শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তাইওয়ান প্রসঙ্গটি একবারও ওঠেনি। তার ভাষায়, “তিনি কখনও বিষয়টি তোলেননি, কারণ তিনি বোঝেন ব্যাপারটা— খুব ভালোভাবেই বোঝেন।” শি জিনপিং ঠিক কী বুঝেছেন তা সাংবাদিকরা জানতে ট্রাম্প বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, “অন্য পক্ষ জানে, কিন্তু আমি সবার কাছে সব কিছু বলি না।”

প্রসঙ্গত, তাইওয়ান ইস্যুটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের উত্তেজনার প্রধান কারণ হয়ে আছে। বেইজিং তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ হিসেবে দেখে থাকে, আর তাইওয়ান ১৯৪৯ সাল থেকে নিজেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে আসছে। অন্যদিকে ‘তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট’ ও ‘সিক্স অ্যাস্যুরেন্সেস’-এর আওতায় দ্বীপ ভূখণ্ডটির প্রতিরক্ষার অধিকারকে সমর্থন করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ ষোলোতে মুখোমুখি দুই মুসলিম দেশ

আমি সবার কাছে সব কিছু বলি না, চীন কিছু করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ: তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১১:৩১:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

এবার তাইওয়ান নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবে না চীন, কারণ তারা জানে এর পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। এমনটাই দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন বলে সোমবার (৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু। ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় চীন তাইওয়ান নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবে না বলে বেইজিংয়ের কর্মকর্তারা তাকে আশ্বস্ত করেছেন, কারণ তারা এর “পরিণতি জানে”।

রোববার সিবিএস নিউজে প্রচারিত ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজেও বলেছেন, তার কর্মকর্তারাও বলেছেন— আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদকালে তাইওয়ান নিয়ে কিছু করব না, কারণ তারা পরিণতি বোঝে।” চীন যদি তাইওয়ানে হামলা চালায়, তাহলে তাইওয়ানকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্র সেনা পাঠাবে কিনা— এমন প্রশ্নে ট্রাম্প সরাসরি উত্তর দেননি। তবে তিনি বলেন, “যদি এমন কিছু ঘটে, তখন জানতে পারবেন। আর শি জিনপিংও উত্তরটা ভালোভাবেই জানেন।”

ট্রাম্প জানান, দক্ষিণ কোরিয়া সফরের সময় গত বৃহস্পতিবার শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে তাইওয়ান প্রসঙ্গটি একবারও ওঠেনি। তার ভাষায়, “তিনি কখনও বিষয়টি তোলেননি, কারণ তিনি বোঝেন ব্যাপারটা— খুব ভালোভাবেই বোঝেন।” শি জিনপিং ঠিক কী বুঝেছেন তা সাংবাদিকরা জানতে ট্রাম্প বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, “অন্য পক্ষ জানে, কিন্তু আমি সবার কাছে সব কিছু বলি না।”

প্রসঙ্গত, তাইওয়ান ইস্যুটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের উত্তেজনার প্রধান কারণ হয়ে আছে। বেইজিং তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ হিসেবে দেখে থাকে, আর তাইওয়ান ১৯৪৯ সাল থেকে নিজেকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে আসছে। অন্যদিকে ‘তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট’ ও ‘সিক্স অ্যাস্যুরেন্সেস’-এর আওতায় দ্বীপ ভূখণ্ডটির প্রতিরক্ষার অধিকারকে সমর্থন করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।