ঢাকা , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন এনসিপি নেতা সারজিস আলম হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের উপস্থাপক অরিনকে নিয়ে সাতক্ষীরায় সমালোচনার ঝড় ভারতে ব্যাপকভাবে বাড়ছে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, ৩ মাসে নিহত ২৫ সীমান্তে আরও এক বাংলাদেশিকে গুলি করে মারল বিএসএফ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের উপস্থাপক অরিনকে নিয়ে সাতক্ষীরায় সমালোচনার ঝড় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবন থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার, বেশিরভাগই নারী-শিশু রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করল ১১ দল শরীরে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ায় তীব্র যন্ত্রণায় ভুগছেন বাইডেন ১০ ছাত্রদল নেতাকে বেধ’ড়’ক পি’টি’য়ে হাসপাতালে পাঠাল নি’ষি’দ্ধ ছাত্রলীগ তারা দুজন আমার লাইফের পার্ট: শাকিব খান

১৯৯১ সালের পর নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে জামায়াত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

১৯৯১ সালের পর আবারও বিরোধী দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

শনিবার রাতে রাজধানীতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

তবে রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াতের প্রার্থী কে হবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দলীয় সূত্র জানায়, রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠক করবে জামায়াত। সেখানে শরিকদের মতামতের ভিত্তিতে জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত হতে পারে।

রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তির নামও প্রস্তাব করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।

সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে সর্বশেষ বিরোধী দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়ার নজির দেখা যায়। ওই সময় আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থেকে বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে প্রার্থী করেছিল। তবে নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাসের কাছে তিনি ৮০ ভোটে পরাজিত হন।

এরপর অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন। ফলে এবার জামায়াতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ২১১টি আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করে। অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট পায় ৬৮টি আসন। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের চেয়ে বিরোধী দল হিসেবে প্রার্থী দেওয়াকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াত।

দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে দলের মনোনয়ন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। শরিকদের সঙ্গে আলোচনার পরই প্রার্থীর নাম নির্ধারণ করা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন এনসিপি নেতা সারজিস আলম

১৯৯১ সালের পর নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে জামায়াত

আপডেট সময় ১০:৫৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

১৯৯১ সালের পর আবারও বিরোধী দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

শনিবার রাতে রাজধানীতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

তবে রাষ্ট্রপতি পদে জামায়াতের প্রার্থী কে হবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দলীয় সূত্র জানায়, রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠক করবে জামায়াত। সেখানে শরিকদের মতামতের ভিত্তিতে জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত হতে পারে।

রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তির নামও প্রস্তাব করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।

সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে সর্বশেষ বিরোধী দল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেওয়ার নজির দেখা যায়। ওই সময় আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থেকে বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরীকে প্রার্থী করেছিল। তবে নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাসের কাছে তিনি ৮০ ভোটে পরাজিত হন।

এরপর অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থীরাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে আসছেন। ফলে এবার জামায়াতের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ২১১টি আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করে। অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট পায় ৬৮টি আসন। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের চেয়ে বিরোধী দল হিসেবে প্রার্থী দেওয়াকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াত।

দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদে দলের মনোনয়ন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। শরিকদের সঙ্গে আলোচনার পরই প্রার্থীর নাম নির্ধারণ করা হবে।