ঢাকা , সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমার সঙ্গে চালাকি চলবে না: নরওয়ের গোলকিপারকে নেইমার হালান্ডের রাতের অদ্ভুত অভ্যাস! মুখে টেপ লাগিয়ে ঘুমান কেন, জানাল বিজ্ঞান পতিত সরকার কোনো প্রকল্পই জনস্বার্থে নেয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী ব্রাজিলের হারে অসুস্থ তরুণী, হাসপাতালে নিলেন আর্জেন্টিনা সমর্থক ফিফার কাছে লাল কার্ডে নিষিদ্ধ খেলোয়াড়ের জন্য তিনবার ফোন করেছিলেন ট্রাম্প ভারতকে যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প হিসেবে দেখছেন নেতানিয়াহু শনিবারের মধ্যে সব ক্লিনিকে লেবার রুম স্থাপন না করলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোগীকে ১৯০ গ্রাম মাংসের জায়গায় দেওয়া হচ্ছে ৪০, হাতেনাতে ধরলেন এমপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ক্রাউন প্রিন্সের চিঠি হস্তান্তর টানা ছয় বিশ্বকাপে শিরোপাহীন থেকে ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ পূরণ

শান্তিরক্ষী প্রয়োজন হলে গাজায় সেনা পাঠাতে প্রস্তুত ইতালি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

এবার গাজায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ের চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বলেছেন, শান্তিরক্ষী বাহিনীর প্রয়োজন হলে দেশটি গাজায় সেনা পাঠাতে প্রস্তুত। শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট এক্স-এ আন্তোনিও তাজানি বলেন, ‘শান্তি নিকটে।’ তিনি আরো বলেন, ‘ইতালি সর্বদা মার্কিন পরিকল্পনাকে সমর্থন করে আসছে।যুদ্ধবিরতি সুসংহত করতে, নতুন মানবিক সহায়তা প্রদান করতে এবং গাজার পুনর্গঠনে অংশগ্রহণ করতে ইতালি ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত।

ফিলিস্তিনকে পুনরায় একত্রিত করার জন্য যদি একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী তৈরি করা হয়, তবে আমরা সেনা পাঠাতেও প্রস্তুত।’ যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে দুই পক্স হামাস ও ইসরায়েল সম্মত হয়েছে। গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ ঘোষণার পরও গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। গতকাল রাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ঘোষণা দেন, তার ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে রাজি হয়েছে হামাস ও ইসরায়েল।

তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে ইসরায়েল ও হামাস—উভয়ই আমাদের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়নের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।’ এরপর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসও আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে, চলতি সপ্তাহে মিসরে ইসরায়েলের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। এ চুক্তিতে গাজায় চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানোর কথা বলা হয়েছে। তবে ট্রাম্পের এ ঘোষণার পরও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো গাজা নগরীর পশ্চিমাঞ্চলে হামলা করেছে বলে জানিয়েছেন আল-জাজিরার স্থানীয় সাংবাদিকেরা।

বিমান থেকে ফেলা গোলা আল-শাতি শরণার্থীশিবিরের অন্তত একটি বাড়িতে আঘাত হানে। এদিকে ইসরায়েল গাজার ফিলিস্তিনিদের সতর্ক করে বলেছে, তারা যেন গাজা উপত্যকার উত্তর অংশে ফিরে না যায়। গাজার উত্তরের এলাকা এখনো একটি বিপজ্জনক যুদ্ধক্ষেত্র। এক্সে প্রকাশিত এক পোস্টে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিখাই আদরিয়ি বলেন, ‘আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) এখনো গাজা সিটিকে ঘিরে রেখেছে, যেখানে ফিরে যাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক।’

তিনি আরো বলেন, ‘নিজেদের নিরাপত্তার জন্য গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিরে যাবেন না বা এমন এলাকায় যাবেন না, যেখানে আইডিএফ বাহিনী অবস্থান করছে বা অভিযান চালাচ্ছে। সেটা গাজা উপত্যকার দক্ষিণ ও পূর্ব অংশসহ যেকোনো স্থানে। শুধু সরকারি নির্দেশনা জারি হওয়ার পরই সেখানে যাওয়া নিরাপদ হবে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমার সঙ্গে চালাকি চলবে না: নরওয়ের গোলকিপারকে নেইমার

শান্তিরক্ষী প্রয়োজন হলে গাজায় সেনা পাঠাতে প্রস্তুত ইতালি

আপডেট সময় ১২:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

এবার গাজায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ের চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বলেছেন, শান্তিরক্ষী বাহিনীর প্রয়োজন হলে দেশটি গাজায় সেনা পাঠাতে প্রস্তুত। শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট এক্স-এ আন্তোনিও তাজানি বলেন, ‘শান্তি নিকটে।’ তিনি আরো বলেন, ‘ইতালি সর্বদা মার্কিন পরিকল্পনাকে সমর্থন করে আসছে।যুদ্ধবিরতি সুসংহত করতে, নতুন মানবিক সহায়তা প্রদান করতে এবং গাজার পুনর্গঠনে অংশগ্রহণ করতে ইতালি ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত।

ফিলিস্তিনকে পুনরায় একত্রিত করার জন্য যদি একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী তৈরি করা হয়, তবে আমরা সেনা পাঠাতেও প্রস্তুত।’ যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে দুই পক্স হামাস ও ইসরায়েল সম্মত হয়েছে। গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ ঘোষণার পরও গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। গতকাল রাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ঘোষণা দেন, তার ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ বাস্তবায়নে রাজি হয়েছে হামাস ও ইসরায়েল।

তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে ইসরায়েল ও হামাস—উভয়ই আমাদের শান্তি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়নের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।’ এরপর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসও আজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে, চলতি সপ্তাহে মিসরে ইসরায়েলের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। এ চুক্তিতে গাজায় চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানোর কথা বলা হয়েছে। তবে ট্রাম্পের এ ঘোষণার পরও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো গাজা নগরীর পশ্চিমাঞ্চলে হামলা করেছে বলে জানিয়েছেন আল-জাজিরার স্থানীয় সাংবাদিকেরা।

বিমান থেকে ফেলা গোলা আল-শাতি শরণার্থীশিবিরের অন্তত একটি বাড়িতে আঘাত হানে। এদিকে ইসরায়েল গাজার ফিলিস্তিনিদের সতর্ক করে বলেছে, তারা যেন গাজা উপত্যকার উত্তর অংশে ফিরে না যায়। গাজার উত্তরের এলাকা এখনো একটি বিপজ্জনক যুদ্ধক্ষেত্র। এক্সে প্রকাশিত এক পোস্টে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিখাই আদরিয়ি বলেন, ‘আইডিএফ (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) এখনো গাজা সিটিকে ঘিরে রেখেছে, যেখানে ফিরে যাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক।’

তিনি আরো বলেন, ‘নিজেদের নিরাপত্তার জন্য গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিরে যাবেন না বা এমন এলাকায় যাবেন না, যেখানে আইডিএফ বাহিনী অবস্থান করছে বা অভিযান চালাচ্ছে। সেটা গাজা উপত্যকার দক্ষিণ ও পূর্ব অংশসহ যেকোনো স্থানে। শুধু সরকারি নির্দেশনা জারি হওয়ার পরই সেখানে যাওয়া নিরাপদ হবে।’