ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

ভারতীয় দূতাবাসের পাশের সড়কের নতুন নাম ‘ফেলানী এভিনিউ’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

 

রাজধানীর গুলশান–২ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‘ফেলানী এভিনিউ’। ভারতীয় দূতাবাসের পাশের এই সড়কটির নাম রাখা হয়েছে সীমান্তে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের স্মৃতিকে ধারণ করে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানান, সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ফেলানীর স্মরণে ডিপ্লোমেটিক জোনের এই সড়কের নতুন নাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ঘটে ভয়াবহ ফেলানী হত্যাকাণ্ড। বাবা–মেয়ের দেশে ফেরার পথে মাত্র ১৫ বছর বয়সী ফেলানী বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারান। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তার নিথর দেহ কাঁটাতারে চার ঘণ্টার বেশি সময় ঝুলে থাকা দেশ–বিদেশের গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ থেকে নির্বাচনি প্রচারনা শুরু,  প্রথম দিনেই ৭ জেলায় জনসমাবেশে নামছেন তারেক রহমান

ভারতীয় দূতাবাসের পাশের সড়কের নতুন নাম ‘ফেলানী এভিনিউ’

আপডেট সময় ০৮:৪০:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

রাজধানীর গুলশান–২ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‘ফেলানী এভিনিউ’। ভারতীয় দূতাবাসের পাশের এই সড়কটির নাম রাখা হয়েছে সীমান্তে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের স্মৃতিকে ধারণ করে।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানান, সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ফেলানীর স্মরণে ডিপ্লোমেটিক জোনের এই সড়কের নতুন নাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ঘটে ভয়াবহ ফেলানী হত্যাকাণ্ড। বাবা–মেয়ের দেশে ফেরার পথে মাত্র ১৫ বছর বয়সী ফেলানী বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারান। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তার নিথর দেহ কাঁটাতারে চার ঘণ্টার বেশি সময় ঝুলে থাকা দেশ–বিদেশের গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলে।