ঢাকা , রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান যা বললেন জাহেদ-উর রহমান বিএনপি জোটে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন! আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমার ৩ শিশুকন্যাকে একটু দেখে রাইখেন: আমীর হামজা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন নিরপেক্ষতার লঙ্ঘন নয়, এটি দায়িত্ব ও সংস্কারমূলক ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ আগামী সংসদ নির্বাচন ‘অত্যন্ত, অত্যন্ত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’: তারেক রহমান ‘মঞ্জুর মুন্সী আপিল নিয়ে যেতে পারবেন উচ্চ আদালতে, পক্ষে আদেশ পেলে থাকতে পারবেন ভোটের মাঠেও’ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করেছে ছাত্রদল: শিবির সভাপতি ফের ইরানিদের বিক্ষোভের আহ্বান রেজা পাহলভির, এবার মেলেনি সাড়া বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ টাকা অনুদান, সন্তান হলে দ্বিগুণ! ‎পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়, তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ৪০ ফুট গর্ত থেকে খোঁড়া হচ্ছে সুরঙ্গ, দেখা মেলেনি এখনও

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৭২ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজশাহীর তানোরে দুই বছরের শিশু সাজিদের জন্য পুরো গ্রাম শ্বাসরুদ্ধ। ১৬ ঘণ্টা পার হলেও গভীর নলকূপের পাইপে আটকে যাওয়া সাজিদকে ও উদ্ধার করা যায়নি। গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের ধানখড়ের মাঠে খেলতে খেলতে হঠাৎ ৪০ ফুট গভীর একটি গর্তে পড়ে যায় সে। মাত্র ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সেই অন্ধকার গর্তে পড়ে যাওয়া ছোট্ট শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের ওই গর্তে পড়ে নিরুদ্দেশ দুই বছরের ছোট্ট সাজিদ। শিশুটির অবস্থান শনাক্তে সেই গর্তে ফায়ার সার্ভিস ফেলেছিল বিশেষ ক্যামেরা। কিন্তু ৩৫ ফুট যাওয়ার পর আটকে যায় ক্যামেরা। তবুও দেখা মেলেনি সাজিদের। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ধারণা-হয়তো ৪০ ফুট নিচেই রয়েছে সাজিদ। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী, যেই গর্তে সাজিদ পড়ে গিয়েছে তার পাশেই রাতভর তিনটি এক্সকেভেটরের মাধ্যমে পুকুর খননের মত করা হয়েছে গভীর গর্ত। সেই গর্ত থেকেই সুরঙ্গ করে ছোট্ট সাজিদের অনুসন্ধান করা হবে।

তানোর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুর রউফ বলেন, শিশুটি যে গর্তে পড়েছিল, আমরা সেই গর্তে ক্যামেরা ফেলেছিলাম। কিন্তু ৩৫ ফুট যাওয়ার ক্যামেরা আটকে যায়। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেছিল। অসাধারণতা বসত ওই গর্তে মাটি এবং খরকুটা পড়ে যায়। ফলে ক্যামেরার মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু ক্যামেরা ৩৫ ফুট মাটির নিচে গিয়ে আটকে গেছে, সেহেতু আমাদের ধারণা তার নিচেই শিশুটির অবস্থান। এজন্য রাতভর তিনটি এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রায় ৪০ ফুট গভীর গর্ত করা হয়েছে। আর কিছু সময়ের মধ্যে যে গর্তটি করা হয়েছে সেটি দিয়ে সুড়ঙ্গ করে শিশুটির সন্ধান করতে পারব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান

শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ৪০ ফুট গর্ত থেকে খোঁড়া হচ্ছে সুরঙ্গ, দেখা মেলেনি এখনও

আপডেট সময় ১০:১৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার রাজশাহীর তানোরে দুই বছরের শিশু সাজিদের জন্য পুরো গ্রাম শ্বাসরুদ্ধ। ১৬ ঘণ্টা পার হলেও গভীর নলকূপের পাইপে আটকে যাওয়া সাজিদকে ও উদ্ধার করা যায়নি। গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের ধানখড়ের মাঠে খেলতে খেলতে হঠাৎ ৪০ ফুট গভীর একটি গর্তে পড়ে যায় সে। মাত্র ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সেই অন্ধকার গর্তে পড়ে যাওয়া ছোট্ট শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের ওই গর্তে পড়ে নিরুদ্দেশ দুই বছরের ছোট্ট সাজিদ। শিশুটির অবস্থান শনাক্তে সেই গর্তে ফায়ার সার্ভিস ফেলেছিল বিশেষ ক্যামেরা। কিন্তু ৩৫ ফুট যাওয়ার পর আটকে যায় ক্যামেরা। তবুও দেখা মেলেনি সাজিদের। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ধারণা-হয়তো ৪০ ফুট নিচেই রয়েছে সাজিদ। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী, যেই গর্তে সাজিদ পড়ে গিয়েছে তার পাশেই রাতভর তিনটি এক্সকেভেটরের মাধ্যমে পুকুর খননের মত করা হয়েছে গভীর গর্ত। সেই গর্ত থেকেই সুরঙ্গ করে ছোট্ট সাজিদের অনুসন্ধান করা হবে।

তানোর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুর রউফ বলেন, শিশুটি যে গর্তে পড়েছিল, আমরা সেই গর্তে ক্যামেরা ফেলেছিলাম। কিন্তু ৩৫ ফুট যাওয়ার ক্যামেরা আটকে যায়। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেছিল। অসাধারণতা বসত ওই গর্তে মাটি এবং খরকুটা পড়ে যায়। ফলে ক্যামেরার মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু ক্যামেরা ৩৫ ফুট মাটির নিচে গিয়ে আটকে গেছে, সেহেতু আমাদের ধারণা তার নিচেই শিশুটির অবস্থান। এজন্য রাতভর তিনটি এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রায় ৪০ ফুট গভীর গর্ত করা হয়েছে। আর কিছু সময়ের মধ্যে যে গর্তটি করা হয়েছে সেটি দিয়ে সুড়ঙ্গ করে শিশুটির সন্ধান করতে পারব।