ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আরাগচি ও গালিবাফকে হ*ত্যার শঙ্কা, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র খামেনির জানাজায় অনুপস্থিত সৌদি আরব ৮ সিটিতে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী ঠিক করেছে জামায়াত আর্জেন্টিনা নয়, বিশ্বকাপের সবচেয়ে ফেবারিট দলের নাম জানালেন স্কালোনি অস্ট্রেলিয়া সিরিজে কোচের দায়িত্বে মাহমুদউল্লাহ–ইমরুল গণমাধ্যম যত শক্তিশালী, গণতন্ত্রও তত শক্তিশালী: মির্জা ফখরুল আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে পেটে ভাত আসবে না: মির্জা ফখরুল যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ কিউবার, ‘শেষ রক্তবিন্দু’ পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা দেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ দিল এফএফডব্লিউসি কড়া নিরাপত্তার মধ্যে খামেনির জানাজার প্রস্তুতি চলছে

সময়ের নির্মম ট্র্যাজেডি: মায়ের সামান্য আবদারেই মৃত্যু হলো রাফির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪০৫ বার পড়া হয়েছে

 

ঢাকার ভূমিকম্পে ভবনের রেলিং ভেঙে মারা যাওয়া স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম রাফির মৃত্যু যেন এক মায়ের চিরস্থায়ী অনুতাপ হয়ে আটকে গেছে। গুরুতর আহত মা নুসরাত জাহান নিপা বারবার নিজেকেই দায়ী করছেন—
“আমারই দোষ… ওকে বাসায় রেখে গেলে আজ আমার ছেলেটা বেঁচে থাকত।”

শুক্রবার পুরান ঢাকার বংশালে মাংস কিনতে গিয়েছিলেন মা–ছেলে। সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ভূমিকম্পে পাশের ভবনের ছাদের রেলিং ধসে পড়লে দুজনই আহত হন। মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়ার পর রাফিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

গুরুতর অবস্থায় থাকা মাকে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুসংবাদ দেওয়া হয়নি। বগুড়ায় আনা হলে ২৮ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেলে তাকে ছেলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। খবর শুনেই তিনি ভেঙে পড়েন, বারবার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলেন। বর্তমানে তিনি শজিমেক হাসপাতালের নিউরোসায়েন্স বিভাগে ভর্তি আছেন।

বাদ জোহর বগুড়ার নামাজগড়ে রাফির জানাজায় সহপাঠী, বন্ধু ও অসংখ্য মানুষ অংশ নেন। পরে মা নিপাকে শেষবারের মতো ছেলের মুখ দেখানো হয়। বিকেলেই তাকে নামাজগড় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

একই ঘটনায় মাংস কিনতে যাওয়া আরেক বাবা–ছেলেও নিহত হন—কাঠ ব্যবসায়ী আবদুর রহিম (৪৫) ও তার ছেলে মেহরাব হোসেন রিমন (১১)।

মায়ের সামান্য আবদার, ছেলের ছোট্ট ইচ্ছা—এভাবেই একটি ordinary সকাল তাদের পরিবারের জন্য হয়ে ওঠে অমোচনীয় শোকের দিন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আরাগচি ও গালিবাফকে হ*ত্যার শঙ্কা, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

সময়ের নির্মম ট্র্যাজেডি: মায়ের সামান্য আবদারেই মৃত্যু হলো রাফির

আপডেট সময় ০৯:৪১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

 

ঢাকার ভূমিকম্পে ভবনের রেলিং ভেঙে মারা যাওয়া স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম রাফির মৃত্যু যেন এক মায়ের চিরস্থায়ী অনুতাপ হয়ে আটকে গেছে। গুরুতর আহত মা নুসরাত জাহান নিপা বারবার নিজেকেই দায়ী করছেন—
“আমারই দোষ… ওকে বাসায় রেখে গেলে আজ আমার ছেলেটা বেঁচে থাকত।”

শুক্রবার পুরান ঢাকার বংশালে মাংস কিনতে গিয়েছিলেন মা–ছেলে। সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ভূমিকম্পে পাশের ভবনের ছাদের রেলিং ধসে পড়লে দুজনই আহত হন। মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়ার পর রাফিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

গুরুতর অবস্থায় থাকা মাকে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুসংবাদ দেওয়া হয়নি। বগুড়ায় আনা হলে ২৮ ঘণ্টা পর শনিবার বিকেলে তাকে ছেলের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। খবর শুনেই তিনি ভেঙে পড়েন, বারবার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলেন। বর্তমানে তিনি শজিমেক হাসপাতালের নিউরোসায়েন্স বিভাগে ভর্তি আছেন।

বাদ জোহর বগুড়ার নামাজগড়ে রাফির জানাজায় সহপাঠী, বন্ধু ও অসংখ্য মানুষ অংশ নেন। পরে মা নিপাকে শেষবারের মতো ছেলের মুখ দেখানো হয়। বিকেলেই তাকে নামাজগড় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

একই ঘটনায় মাংস কিনতে যাওয়া আরেক বাবা–ছেলেও নিহত হন—কাঠ ব্যবসায়ী আবদুর রহিম (৪৫) ও তার ছেলে মেহরাব হোসেন রিমন (১১)।

মায়ের সামান্য আবদার, ছেলের ছোট্ট ইচ্ছা—এভাবেই একটি ordinary সকাল তাদের পরিবারের জন্য হয়ে ওঠে অমোচনীয় শোকের দিন।