নিজের বিরুদ্ধে এক টাকার দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারলে জাতীয় সংসদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনাকালে সরকার দলীয় এক সংসদ সদস্যের উদ্দেশে তিনি এ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।
এদিন সংসদ অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বাজেটের ওপর আলোচনার এক পর্যায়ে বাজেটের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য দেন হাসনাত আবদুল্লাহ। বাজেটের বরাদ্দ থেকে তার জন্য যেন তার এলাকার মানুষকে বঞ্চিত করা না হয় এই আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বাজেটের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টানেন। তিনি বলেন, ‘আমি হাসনাত আবদুল্লাহর একটি প্রসঙ্গ, যে আলাপটি তিনি করেছেন সেটি হলো, তাকে বাজেটে আটকে দেওয়া হবে কি না। আপনাকে টাকা দেওয়া হবে না তো, আপনার এলাকায় টাকা দেওয়া হবে। এলাকার মানুষের জন্য টাকা দেওয়া হবে। সেজন্য আপনি অন্তর্বর্তী সরকারে যেভাবে যেভাবে পেয়েছেন, আমরা অনেক কিছু শুনি, এলিগেশন আদান-প্রদানে অনেক কিছু বলা যায়। সেভাবেই চলবে হয়তো, কেননা জনগণের জন্যই সেই টাকা দেওয়া হবে। কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয় না।’
এরপর ২৭৪ বিধি অনুসারে ব্যক্তিগত কৈফিয়তের জন্য দাঁড়ান হাসনাত আবদুল্লাহ। ডেপুটি স্পিকার তাকে এক মিনিট সময় দেন। তখন হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমি আমার বক্তব্যের কোথাও এই শব্দ উচ্চারণ করিনি বা এই বাক্য বলিনি যে, আমাকে যেন বরাদ্দ বঞ্চিত না করা হয়। আমি বলেছি, আমার বক্তব্যের কারণে আমার এলাকার মানুষকে যেন কোনো কারণে বঞ্চিত করা না হয়।’
সরকারের উদ্দেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘এখন সরকারের যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আপনাদের নিয়ন্ত্রণে—ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশ, মিলিটারি—সবাই আপনাদের নিয়ন্ত্রণে। আপনাদের মতো দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এলিগেশনের টোনে এলিগেশন না দিয়ে আপনারা তদন্ত করে এক টাকার দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারলে এই সংসদ থেকে ইস্তফা দেব।’

ডেস্ক রিপোর্ট 


















