ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশজুড়ে জরুরি সতর্কবার্তা দিলো বাংলাদেশ পুলিশ মেঘনা দখল করে দুই হোটেল, অনুমতি ছাড়াই চলছে ‘জলবিলাস’ হরমুজ ঘিরে নতুন করে বাড়ছে উত্তেজনা নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তার চান ৪৬ শতাংশ মার্কিনি আম্মার ও শিবির নেতাদের মারধরে আহত ২ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত, লক্ষ্মীপুরে পাশাপাশি দাফন দুই ভাই চাপের মুখে আন্দোলনকারীদের মামলা প্রত্যাহারের পথে শুভেন্দু সরকার গ্যাস সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী আহত জুলাই যোদ্ধা সুজনের নবজাতক কন্যার জন্য উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন হামলায় ইরানের ১২ সেতু, ২ টানেল ক্ষতিগ্রস্ত

আম্মার ও শিবির নেতাদের মারধরে আহত ২ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৫১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারসহ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মারধরের শিকার তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত একটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হলেও, একই ঘটনায় প্রক্টর কার্যালয় ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকেমব সন্ত্রাসআখ্যা দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন। গ্রেপ্তার হওয়া দুই শিক্ষার্থী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০১৭১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আনাস ও মাহমুদুল হাসান। সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে মতিহার থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির জানান, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত পূর্বের একটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সংস্কৃত বিভাগের এক ছাত্রীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রোববার রাতে প্রক্টরের কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগে বলা হয়, একই বিভাগের শিক্ষার্থী মহসিন আলম প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর ওই ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়ার হুমকি দেন। ওই বৈঠকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল হাসান। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে প্রক্টরের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

পরদিন সোমবার বিষয়টি নিয়ে আবার বৈঠক হলে সেখানে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজন নেতা আনাসকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী বলে দাবি করেন। এ সময় তার মুঠোফোনে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তোলা ছবি দেখিয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, পরে রাকসু ভবনে গিয়ে আনাস, হাসিব, মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিবের ওপর হামলা চালান। এতে তিনি আহত হন। এর কিছু সময় পর আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষের সামনে অবস্থান নিলে তাদের সঙ্গে রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বাগ্‌বিতণ্ডা এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির একপর্যায়ে তারা পাঠকক্ষের ভেতরে আশ্রয় নেন। অভিযোগ রয়েছে, এরপর রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা পাঠকক্ষে ঢুকে তাদের মারধর করেন। হামলা ঠেকাতে গিয়ে কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীও আহত হন। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও তাদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। পরে প্রক্টরিয়াল বডি, শিক্ষক, পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঘটনার পর রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিচারের দাবি জানান। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারের উদ্যোগ এবং মারধরের ঘটনার তদন্তে একটি নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট এক বিবৃতিতে প্রক্টরের কার্যালয় ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনাকেমব সন্ত্রাসউল্লেখ করে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে। একই সঙ্গে রাকসু ভবনে হামলার অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে। ছাত্র মঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম সরকারের সই করা পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযুক্তদের আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় না এনে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের মতো স্থানে ঢুকে প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হয়েছে।

সংগঠনগুলোর দাবির মধ্যে রয়েছে রাকসু ভবনে হামলা ও শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিতমব সন্ত্রাসউভয় ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারসহ পুরো ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা। অন্যদিকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রশাসন ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সংগঠনটির সভাপতি সুলতান আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে জরুরি সতর্কবার্তা দিলো বাংলাদেশ পুলিশ

আম্মার ও শিবির নেতাদের মারধরে আহত ২ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

আপডেট সময় ০৪:৫১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারসহ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মারধরের শিকার তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত একটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হলেও, একই ঘটনায় প্রক্টর কার্যালয় ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকেমব সন্ত্রাসআখ্যা দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন। গ্রেপ্তার হওয়া দুই শিক্ষার্থী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০১৭১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আনাস ও মাহমুদুল হাসান। সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে মতিহার থানা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির জানান, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত পূর্বের একটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সংস্কৃত বিভাগের এক ছাত্রীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রোববার রাতে প্রক্টরের কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগে বলা হয়, একই বিভাগের শিক্ষার্থী মহসিন আলম প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর ওই ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়ার হুমকি দেন। ওই বৈঠকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল হাসান। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে প্রক্টরের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

পরদিন সোমবার বিষয়টি নিয়ে আবার বৈঠক হলে সেখানে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজন নেতা আনাসকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী বলে দাবি করেন। এ সময় তার মুঠোফোনে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তোলা ছবি দেখিয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, পরে রাকসু ভবনে গিয়ে আনাস, হাসিব, মাহমুদুলসহ কয়েকজন রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিবের ওপর হামলা চালান। এতে তিনি আহত হন। এর কিছু সময় পর আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষের সামনে অবস্থান নিলে তাদের সঙ্গে রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বাগ্‌বিতণ্ডা এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির একপর্যায়ে তারা পাঠকক্ষের ভেতরে আশ্রয় নেন। অভিযোগ রয়েছে, এরপর রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা পাঠকক্ষে ঢুকে তাদের মারধর করেন। হামলা ঠেকাতে গিয়ে কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীও আহত হন। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও তাদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। পরে প্রক্টরিয়াল বডি, শিক্ষক, পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঘটনার পর রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিচারের দাবি জানান। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারের উদ্যোগ এবং মারধরের ঘটনার তদন্তে একটি নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট এক বিবৃতিতে প্রক্টরের কার্যালয় ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনাকেমব সন্ত্রাসউল্লেখ করে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে। একই সঙ্গে রাকসু ভবনে হামলার অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে। ছাত্র মঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম সরকারের সই করা পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযুক্তদের আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় না এনে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের মতো স্থানে ঢুকে প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হয়েছে।

সংগঠনগুলোর দাবির মধ্যে রয়েছে রাকসু ভবনে হামলা ও শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিতমব সন্ত্রাসউভয় ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারসহ পুরো ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা। অন্যদিকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রশাসন ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সংগঠনটির সভাপতি সুলতান আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।