ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেঘনা দখল করে দুই হোটেল, অনুমতি ছাড়াই চলছে ‘জলবিলাস’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৩৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ষাটনল লঞ্চঘাট এলাকায় মেঘনা নদী ও নদীতীর দখল করে দুটি হোটেল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ‘জলবিলাস’ নামে একটি হোটেল প্রায় এক বছর ধরে চালু থাকলেও সরকারি কোনো অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ। একই এলাকায় ‘হাওয়া বদল’ নামে আরও একটি বড় হোটেলের নির্মাণকাজও চলছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এসব হোটেলে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে। তবে নদীর জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে মালিকপক্ষের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ—বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, দুই হোটেলের কোনোটিকেই তারা অনুমতি দেয়নি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো আবেদনও তাদের কাছে জমা পড়েনি। সংস্থাটি বলছে, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছাড়া নদীর জায়গায় কোনো স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। স্থানীয় প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নিলে তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীর তীর দখল করে নির্মাণকাজ চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে নদী দখলের প্রবণতা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মেঘনা দখল করে দুই হোটেল, অনুমতি ছাড়াই চলছে ‘জলবিলাস’

আপডেট সময় ০৫:৩৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ষাটনল লঞ্চঘাট এলাকায় মেঘনা নদী ও নদীতীর দখল করে দুটি হোটেল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ‘জলবিলাস’ নামে একটি হোটেল প্রায় এক বছর ধরে চালু থাকলেও সরকারি কোনো অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ। একই এলাকায় ‘হাওয়া বদল’ নামে আরও একটি বড় হোটেলের নির্মাণকাজও চলছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত এসব হোটেলে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে। তবে নদীর জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে মালিকপক্ষের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ—বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, দুই হোটেলের কোনোটিকেই তারা অনুমতি দেয়নি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো আবেদনও তাদের কাছে জমা পড়েনি। সংস্থাটি বলছে, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ছাড়া নদীর জায়গায় কোনো স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। স্থানীয় প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নিলে তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীর তীর দখল করে নির্মাণকাজ চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে নদী দখলের প্রবণতা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।