ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সার্কিট হাউসে আশ্রয় নিয়েছিলেন সারজিস নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন সারজিস-পাটোয়ারীর ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে এনসিপির বিক্ষোভ পুলিশের উপস্থিতিতেই নাসীরুদ্দীন-সারজিসের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ আসিফ মাহমুদের মিরপুরে দেয়াল ধসে আহতদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আপনার পতন ছাত্রদল আর যুবদলই নিয়ে আসবে—প্রধানমন্ত্রীকে শিবির সভাপতি পুলিশের উপস্থিতিতেই নাসীরুদ্দীন-সারজিসের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ আসিফ মাহমুদের নাসীরুদ্দীন-সারজিসের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদের হাসপাতালে নেয়ার সময়ও হামলাকারীরা থামেনি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

বাংলাদেশের কাঁঠাল কেন নিতে চায় চীন?

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

চীনের বাজারে বাংলাদেশের কাঁঠাল রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে কাঁঠাল রপ্তানি সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, যা এ খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আমদানিকারক দেশ চীনের বাংলাদেশি কাঁঠালের প্রতি আগ্রহ নতুন নয়। এর আগেও বাংলাদেশের বিভিন্ন কৃষিপণ্য আমদানির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল বেইজিং। বিশেষ করে ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো কাঁচা আম আমদানি শুরু করার সময় কাঁঠাল ও পেয়ারার মতো ফল আমদানির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত।

সাম্প্রতিক সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। অবকাঠামো, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতের পাশাপাশি বাংলাদেশি কাঁঠাল চীনে রপ্তানির বিষয়টিও এসব চুক্তির অন্তর্ভুক্ত।

সরকারের মতে, এই উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য বিশ্বের বৃহৎ ভোক্তা বাজারগুলোর একটিতে প্রবেশের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ও রপ্তানি খাতসংশ্লিষ্টদের ধারণা, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল রপ্তানির প্রক্রিয়া এখন আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে পৌঁছেছে। প্রয়োজনীয় কারিগরি ও স্বাস্থ্যগত শর্ত পূরণ করা গেলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল চীনের বাজারে নিয়মিত রপ্তানি হতে পারে।

ফলে কৃষকদের জন্য যেমন নতুন বাজারের দ্বার উন্মোচিত হবে, তেমনি দেশের কৃষিভিত্তিক রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রেও যুক্ত হতে পারে নতুন সম্ভাবনা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

বাংলাদেশের কাঁঠাল কেন নিতে চায় চীন?

আপডেট সময় ১১:২৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

চীনের বাজারে বাংলাদেশের কাঁঠাল রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে কাঁঠাল রপ্তানি সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, যা এ খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আমদানিকারক দেশ চীনের বাংলাদেশি কাঁঠালের প্রতি আগ্রহ নতুন নয়। এর আগেও বাংলাদেশের বিভিন্ন কৃষিপণ্য আমদানির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল বেইজিং। বিশেষ করে ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো কাঁচা আম আমদানি শুরু করার সময় কাঁঠাল ও পেয়ারার মতো ফল আমদানির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত।

সাম্প্রতিক সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। অবকাঠামো, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতের পাশাপাশি বাংলাদেশি কাঁঠাল চীনে রপ্তানির বিষয়টিও এসব চুক্তির অন্তর্ভুক্ত।

সরকারের মতে, এই উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের জন্য বিশ্বের বৃহৎ ভোক্তা বাজারগুলোর একটিতে প্রবেশের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ও রপ্তানি খাতসংশ্লিষ্টদের ধারণা, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল রপ্তানির প্রক্রিয়া এখন আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে পৌঁছেছে। প্রয়োজনীয় কারিগরি ও স্বাস্থ্যগত শর্ত পূরণ করা গেলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল চীনের বাজারে নিয়মিত রপ্তানি হতে পারে।

ফলে কৃষকদের জন্য যেমন নতুন বাজারের দ্বার উন্মোচিত হবে, তেমনি দেশের কৃষিভিত্তিক রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রেও যুক্ত হতে পারে নতুন সম্ভাবনা।