ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নূরুল মজিদের হ্যান্ডকাফ পরানো অবস্থায় মৃত্যু, এ কেমন অমানবিকতা: মান্না

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭০৬ বার পড়া হয়েছে

এবার সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ হুমায়ূনের হাতে হ্যান্ডকাফ অবস্থায় মৃত্যুর ঘটনাকে ‘এ কেমন অমানবিকতা’ বলে অভিহিত করেছেন তার সহপাঠী রাজনীতিক মাহমুদুর রহমান মান্না।

আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘ফেসবুকে আমি হুমায়ূনের লাশের ছবি দেখলাম। হাতে হ্যান্ডকাফ পরানো। পাশে দাঁড়িয়ে দুজন আনসার গল্প করছে। খুব কষ্ট পেলাম। লাশের হাতে হ্যান্ডকাফ!’

এদিকে মাহমুদুর রহমান মান্না লিখেন, ‘বগুড়া শহর থেকে শিবগঞ্জ যাচ্ছি। জানলাম প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ হুমায়ূন কারাগারে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। হুমায়ূন ৬৬-৬৮ তে ঢাকা কলেজে আমার সহপাঠী ছিলেন। তখন তার সাথে আমার খুব ঘনিষ্ঠতা ছিলো না।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘পরবর্তীতে রাজনীতি (আওয়ামী লীগ) করতে এসে তার সাথে সখ্যতা হয়। আমার আর এক সতীর্থ (বগুড়া এবং ঢাকা কলেজে) জি এম সিরাজের মাধ্যমে সেটা আরও ঘনিষ্ট হয়। আমি তাকে ভালো মানুষ বলে জানতাম।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নূরুল মজিদের হ্যান্ডকাফ পরানো অবস্থায় মৃত্যু, এ কেমন অমানবিকতা: মান্না

আপডেট সময় ০৪:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ হুমায়ূনের হাতে হ্যান্ডকাফ অবস্থায় মৃত্যুর ঘটনাকে ‘এ কেমন অমানবিকতা’ বলে অভিহিত করেছেন তার সহপাঠী রাজনীতিক মাহমুদুর রহমান মান্না।

আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘ফেসবুকে আমি হুমায়ূনের লাশের ছবি দেখলাম। হাতে হ্যান্ডকাফ পরানো। পাশে দাঁড়িয়ে দুজন আনসার গল্প করছে। খুব কষ্ট পেলাম। লাশের হাতে হ্যান্ডকাফ!’

এদিকে মাহমুদুর রহমান মান্না লিখেন, ‘বগুড়া শহর থেকে শিবগঞ্জ যাচ্ছি। জানলাম প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ হুমায়ূন কারাগারে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। হুমায়ূন ৬৬-৬৮ তে ঢাকা কলেজে আমার সহপাঠী ছিলেন। তখন তার সাথে আমার খুব ঘনিষ্ঠতা ছিলো না।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘পরবর্তীতে রাজনীতি (আওয়ামী লীগ) করতে এসে তার সাথে সখ্যতা হয়। আমার আর এক সতীর্থ (বগুড়া এবং ঢাকা কলেজে) জি এম সিরাজের মাধ্যমে সেটা আরও ঘনিষ্ট হয়। আমি তাকে ভালো মানুষ বলে জানতাম।’