ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর স্মার্টফোনের ন্যূনতম দাম ২৫০০ টাকার মধ্যে আনতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ আসবে না: রাশিয়া হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির আজহারী ও জারার ছবি ব্যবহার করে যৌন উত্তেজক ওষুধের বিজ্ঞাপন, গ্রেপ্তার ১০ নিজেদের সক্ষমতার সামান্যই ব্যবহার করেছে ইরান, নিচ্ছে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলে কাজ করতে হবে: মির্জা ফখরুল ৭২-এর সংবিধান মোতাবেক শেখ হাসিনা এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রী: ব্যারিস্টার ফুয়াদ ‘যেই বিএনপির জন্ম হয়েছে গণভোটের মাধ্যমে, তারাই আজ গণভোটকে অস্বীকার করছে’

ফুরিয়েছে হাম-পোলিও-যক্ষ্মাসহ ৬ ধরনের টিকার মজুত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৪০৮ বার পড়া হয়েছে

প্রতি বছর জন্ম নেয় ৪০ লাখের বেশি শিশু। তাদের সুরক্ষায় ১২টি রোগ প্রতিরোধে দেয়া হয় নয় ধরনের টিকা। জন্মের পর থেকে ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত এসব টিকা পায় শিশুরা। তবে ফুরিয়েছে ৬ ধরনের টিকার মজুত। এগুলো হলো হামরুবেলা, পোলিও, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়াধনুষ্টার, হেপাটাইসিসবি। তবে এ সব টিকা মাঠ পর্যায়ে থাকার দাবি করেছে অধিদফতর।  মূলত, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদফতরের অপারেশনার প্ল্যানওপি বাতিল হলে সংকটে পড়ে টিকা কার্যক্রম। দেশের বিভিন্ন এলাকায় টিকা বঞ্চিত হয় অনেক শিশু। কমে যায় টিকাদানের হার।

পরে সব ধরনের টিকার জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয় হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে শুধু শিশুদের টিকায় রাখা হয় ৮৪২ কোটি টাকা। সিদ্ধান্ত হয় সরাসরি কেনার পাশাপাশি টেন্ডারেও টিকা কেনার। কিন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই প্রক্রিয়া শেষ করা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কেটে যায় দীর্ঘ সময়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান জানান, টিকাগুলো সরাসরি ইউনিসেফের কাছ থেকে কেনা হতো। এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়। সিদ্ধান্ত আসে অর্ধেক ইউইসেফের কাছ থেকে এবং অর্ধেক ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে কেনা হবে। এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন এবং বাস্তবায়না রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি জটিলতা তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং তা বাতিল হয়ে গেছে এর কোনও বিকল্প হাতে রাখা হয়নি। এর ফল আমরা ভোগ করছি। এখন পরিকল্পনা চলছে আবারও সরাসরি ক্রয় করতে পারি কী না। যদি হয় বাকি অর্ধেক টাকা আমরা সরাসরি ক্রয়ে ব্যয় করতে পারবো। এই ভ্যাকসিন মজুত থাকবে। যেখানে সংকট আছে সেখানে পাঠানো সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পূজা চেরির বাবা গ্রেপ্তার

ফুরিয়েছে হাম-পোলিও-যক্ষ্মাসহ ৬ ধরনের টিকার মজুত

আপডেট সময় ১২:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

প্রতি বছর জন্ম নেয় ৪০ লাখের বেশি শিশু। তাদের সুরক্ষায় ১২টি রোগ প্রতিরোধে দেয়া হয় নয় ধরনের টিকা। জন্মের পর থেকে ১৫ মাস বয়স পর্যন্ত এসব টিকা পায় শিশুরা। তবে ফুরিয়েছে ৬ ধরনের টিকার মজুত। এগুলো হলো হামরুবেলা, পোলিও, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ডিপথেরিয়াধনুষ্টার, হেপাটাইসিসবি। তবে এ সব টিকা মাঠ পর্যায়ে থাকার দাবি করেছে অধিদফতর।  মূলত, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদফতরের অপারেশনার প্ল্যানওপি বাতিল হলে সংকটে পড়ে টিকা কার্যক্রম। দেশের বিভিন্ন এলাকায় টিকা বঞ্চিত হয় অনেক শিশু। কমে যায় টিকাদানের হার।

পরে সব ধরনের টিকার জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয় হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে শুধু শিশুদের টিকায় রাখা হয় ৮৪২ কোটি টাকা। সিদ্ধান্ত হয় সরাসরি কেনার পাশাপাশি টেন্ডারেও টিকা কেনার। কিন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই প্রক্রিয়া শেষ করা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কেটে যায় দীর্ঘ সময়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান জানান, টিকাগুলো সরাসরি ইউনিসেফের কাছ থেকে কেনা হতো। এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়। সিদ্ধান্ত আসে অর্ধেক ইউইসেফের কাছ থেকে এবং অর্ধেক ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে কেনা হবে। এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন এবং বাস্তবায়না রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি জটিলতা তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং তা বাতিল হয়ে গেছে এর কোনও বিকল্প হাতে রাখা হয়নি। এর ফল আমরা ভোগ করছি। এখন পরিকল্পনা চলছে আবারও সরাসরি ক্রয় করতে পারি কী না। যদি হয় বাকি অর্ধেক টাকা আমরা সরাসরি ক্রয়ে ব্যয় করতে পারবো। এই ভ্যাকসিন মজুত থাকবে। যেখানে সংকট আছে সেখানে পাঠানো সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।