ঢাকা , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় প্যারেদেস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে মাঠে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষ ও বিশৃঙ্খলার ঘটনায় বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে পারেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো প্যারেদেস। ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির তদন্তে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৯ ম্যাচের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাচ-পরবর্তী উত্তেজনার সময় প্যারেদেস প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের প্রতি অন্তত তিনবার আগ্রাসী আচরণ করেছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের হয়ে মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডারকে।

এ ঘটনায় শুধু প্যারেদেস নন, আর্জেন্টিনার নাহুয়েল মোলিনা, থিয়াগো আলমাদা এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধেও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিকেও অসংলগ্ন আচরণের অভিযোগে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ফাইনালকে ঘিরে নিরাপত্তা প্রটোকল ভঙ্গ, গ্যালারি থেকে বৈষম্যমূলক স্লোগান এবং মাঠে রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত ব্যানার প্রদর্শনের অভিযোগও খতিয়ে দেখছে ফিফা। এসব ঘটনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধেও আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফিফা জানিয়েছে, আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফুটবল কর্তৃপক্ষের লিখিত ব্যাখ্যা, ম্যাচ কর্মকর্তাদের প্রতিবেদন এবং সংগৃহীত প্রমাণ পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৯ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় প্যারেদেস

আপডেট সময় ১২:৫১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে মাঠে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষ ও বিশৃঙ্খলার ঘটনায় বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে পারেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো প্যারেদেস। ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির তদন্তে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৯ ম্যাচের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাচ-পরবর্তী উত্তেজনার সময় প্যারেদেস প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের প্রতি অন্তত তিনবার আগ্রাসী আচরণ করেছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের হয়ে মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডারকে।

এ ঘটনায় শুধু প্যারেদেস নন, আর্জেন্টিনার নাহুয়েল মোলিনা, থিয়াগো আলমাদা এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধেও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিকেও অসংলগ্ন আচরণের অভিযোগে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ফাইনালকে ঘিরে নিরাপত্তা প্রটোকল ভঙ্গ, গ্যালারি থেকে বৈষম্যমূলক স্লোগান এবং মাঠে রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত ব্যানার প্রদর্শনের অভিযোগও খতিয়ে দেখছে ফিফা। এসব ঘটনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধেও আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফিফা জানিয়েছে, আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফুটবল কর্তৃপক্ষের লিখিত ব্যাখ্যা, ম্যাচ কর্মকর্তাদের প্রতিবেদন এবং সংগৃহীত প্রমাণ পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।