ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে না বাংলাদেশ’, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গরু জবাই নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াল থালাপতির সরকার এইচএসসিতে ৯ বোর্ডে একই প্রশ্ন, ফাঁস ঠেকাতে বাড়তি নজর ‘আমাদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ এখনো গড়ে ওঠেনি’, নাহিদ ইসলাম ‘রাশিয়ার কারণে রাতে ঘুমাতে পারি না’, বললেন ন্যাটোপ্রধান আট বছর পর মিলল ম্যারাডোনার সেই ভবিষ্যদ্বাণী চার আকাশযান ধ্বং’সে’র দা’বি পাকিস্তানের, সফল হা’ম’লা’র কথা বলছে কাবুল সাবেক এমপিকে আমন্ত্রণের জেরে শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে ভাঙচুর হোলি আর্টিজানের এক দশক, জ’ঙ্গি’বা’দ কতটা বদলেছে? এবার পুরো গাজা দখলে নেওয়ার ঘোষণা ইসরায়েলি মন্ত্রীর

শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ৪০ ফুট গর্ত থেকে খোঁড়া হচ্ছে সুরঙ্গ, দেখা মেলেনি এখনও

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৫৭ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজশাহীর তানোরে দুই বছরের শিশু সাজিদের জন্য পুরো গ্রাম শ্বাসরুদ্ধ। ১৬ ঘণ্টা পার হলেও গভীর নলকূপের পাইপে আটকে যাওয়া সাজিদকে ও উদ্ধার করা যায়নি। গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের ধানখড়ের মাঠে খেলতে খেলতে হঠাৎ ৪০ ফুট গভীর একটি গর্তে পড়ে যায় সে। মাত্র ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সেই অন্ধকার গর্তে পড়ে যাওয়া ছোট্ট শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের ওই গর্তে পড়ে নিরুদ্দেশ দুই বছরের ছোট্ট সাজিদ। শিশুটির অবস্থান শনাক্তে সেই গর্তে ফায়ার সার্ভিস ফেলেছিল বিশেষ ক্যামেরা। কিন্তু ৩৫ ফুট যাওয়ার পর আটকে যায় ক্যামেরা। তবুও দেখা মেলেনি সাজিদের। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ধারণা-হয়তো ৪০ ফুট নিচেই রয়েছে সাজিদ। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী, যেই গর্তে সাজিদ পড়ে গিয়েছে তার পাশেই রাতভর তিনটি এক্সকেভেটরের মাধ্যমে পুকুর খননের মত করা হয়েছে গভীর গর্ত। সেই গর্ত থেকেই সুরঙ্গ করে ছোট্ট সাজিদের অনুসন্ধান করা হবে।

তানোর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুর রউফ বলেন, শিশুটি যে গর্তে পড়েছিল, আমরা সেই গর্তে ক্যামেরা ফেলেছিলাম। কিন্তু ৩৫ ফুট যাওয়ার ক্যামেরা আটকে যায়। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেছিল। অসাধারণতা বসত ওই গর্তে মাটি এবং খরকুটা পড়ে যায়। ফলে ক্যামেরার মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু ক্যামেরা ৩৫ ফুট মাটির নিচে গিয়ে আটকে গেছে, সেহেতু আমাদের ধারণা তার নিচেই শিশুটির অবস্থান। এজন্য রাতভর তিনটি এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রায় ৪০ ফুট গভীর গর্ত করা হয়েছে। আর কিছু সময়ের মধ্যে যে গর্তটি করা হয়েছে সেটি দিয়ে সুড়ঙ্গ করে শিশুটির সন্ধান করতে পারব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে না বাংলাদেশ’, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

শিশু সাজিদকে উদ্ধারে ৪০ ফুট গর্ত থেকে খোঁড়া হচ্ছে সুরঙ্গ, দেখা মেলেনি এখনও

আপডেট সময় ১০:১৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার রাজশাহীর তানোরে দুই বছরের শিশু সাজিদের জন্য পুরো গ্রাম শ্বাসরুদ্ধ। ১৬ ঘণ্টা পার হলেও গভীর নলকূপের পাইপে আটকে যাওয়া সাজিদকে ও উদ্ধার করা যায়নি। গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের ধানখড়ের মাঠে খেলতে খেলতে হঠাৎ ৪০ ফুট গভীর একটি গর্তে পড়ে যায় সে। মাত্র ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সেই অন্ধকার গর্তে পড়ে যাওয়া ছোট্ট শিশুটিকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের ওই গর্তে পড়ে নিরুদ্দেশ দুই বছরের ছোট্ট সাজিদ। শিশুটির অবস্থান শনাক্তে সেই গর্তে ফায়ার সার্ভিস ফেলেছিল বিশেষ ক্যামেরা। কিন্তু ৩৫ ফুট যাওয়ার পর আটকে যায় ক্যামেরা। তবুও দেখা মেলেনি সাজিদের। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ধারণা-হয়তো ৪০ ফুট নিচেই রয়েছে সাজিদ। তাই পরিকল্পনা অনুযায়ী, যেই গর্তে সাজিদ পড়ে গিয়েছে তার পাশেই রাতভর তিনটি এক্সকেভেটরের মাধ্যমে পুকুর খননের মত করা হয়েছে গভীর গর্ত। সেই গর্ত থেকেই সুরঙ্গ করে ছোট্ট সাজিদের অনুসন্ধান করা হবে।

তানোর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুর রউফ বলেন, শিশুটি যে গর্তে পড়েছিল, আমরা সেই গর্তে ক্যামেরা ফেলেছিলাম। কিন্তু ৩৫ ফুট যাওয়ার ক্যামেরা আটকে যায়। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেছিল। অসাধারণতা বসত ওই গর্তে মাটি এবং খরকুটা পড়ে যায়। ফলে ক্যামেরার মাধ্যমে শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু ক্যামেরা ৩৫ ফুট মাটির নিচে গিয়ে আটকে গেছে, সেহেতু আমাদের ধারণা তার নিচেই শিশুটির অবস্থান। এজন্য রাতভর তিনটি এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রায় ৪০ ফুট গভীর গর্ত করা হয়েছে। আর কিছু সময়ের মধ্যে যে গর্তটি করা হয়েছে সেটি দিয়ে সুড়ঙ্গ করে শিশুটির সন্ধান করতে পারব।