ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাল্যবিবাহ ঠেকাতে অভিযানে, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

বাল্যবিবাহ নিবন্ধনসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় এক কাজি অফিসে অভিযান চালিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। তবে অভিযানের খবর পেয়েই অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান রেজিস্ট্রার সামসুল হক।

বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কার্পাসডাঙ্গা এলাকার এমএমআর ও কাজি অফিসে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, সামসুল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বাল্যবিবাহ নিবন্ধনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আসছিল। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সময় রেজিস্ট্রারকে না পেলেও অফিস থেকে বিবাহ নিবন্ধনের গুরুত্বপূর্ণ ভলিউম বই জব্দ করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে সুফিয়ান ও আবদুস সাত্তার নামে দুজনকে আটক করা হলেও পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজি অফিসটি তালাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে রেজিস্ট্রার সামসুল হকের লাইসেন্স বাতিলের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের দাবি, এর আগেও বাল্যবিবাহ নিবন্ধনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সামসুল হক কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড পেয়েছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন সন্তান রেখে মসজিদের ইমামের সঙ্গে গৃহবধূর চলে যাওয়ার অভিযোগ

বাল্যবিবাহ ঠেকাতে অভিযানে, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজি

আপডেট সময় ১১:০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

বাল্যবিবাহ নিবন্ধনসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় এক কাজি অফিসে অভিযান চালিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। তবে অভিযানের খবর পেয়েই অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান রেজিস্ট্রার সামসুল হক।

বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কার্পাসডাঙ্গা এলাকার এমএমআর ও কাজি অফিসে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, সামসুল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বাল্যবিবাহ নিবন্ধনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আসছিল। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সময় রেজিস্ট্রারকে না পেলেও অফিস থেকে বিবাহ নিবন্ধনের গুরুত্বপূর্ণ ভলিউম বই জব্দ করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে সুফিয়ান ও আবদুস সাত্তার নামে দুজনকে আটক করা হলেও পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রশাসন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাজি অফিসটি তালাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে রেজিস্ট্রার সামসুল হকের লাইসেন্স বাতিলের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের দাবি, এর আগেও বাল্যবিবাহ নিবন্ধনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সামসুল হক কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড পেয়েছিলেন।