ঢাকা , রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্কে এলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের ভাবনা মেয়র মামদানির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের দ্য ইন্টারভিউ পডকাস্টে সঞ্চালক লুলু গার্সিয়ানাভারোর সঙ্গে আলাপকালে মামদানি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর স্থান দ্য হেগে। তিনি একজন যুদ্ধাপরাধী, তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযোগ আনা হয়েছে।মামদানি বলেন, বিদেশি কোনও নেতাকে আটকের নির্দেশ নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগকে দেয়ার ক্ষমতা তার রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিউইয়র্ক সিটির আইন বিভাগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছেন। তিনি বলেন, ‘নিউইয়র্ক সিটিতে আইন আমাকে যতটুকু করার অনুমতি দেয়, আমরা ততটুকুই করব। তবে এ উদ্দেশ্যে আমরা নিজেরা নতুন কোনও আইন তৈরি করব না।

মেয়র নির্বাচনের প্রচারণার সময়ও মামদানি বলেছিলেন, নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার চেষ্টা করবেন তিনি। সম্প্রতি রেডিও উপস্থাপক সিড রোজেনবার্গকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেন নেতানিয়াহু। তিনি অভিযোগ করেন, মামদানি হামাসকে সমর্থন করেন। নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিনি কাকে নিন্দা করছেন আর কাকে প্রশংসা করছেন, সেটা আগে দেখা উচিত। তিনি ইসরায়েলের নিন্দা করছেনযে দেশটি আমেরিকার মূল্যবোধের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একমাত্র গণতান্ত্রিক দেশ।

মামদানি একাধিকবার গাজায় ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলারও সমালোচনা করেছেন তিনি। সাক্ষাৎকারে মামদানি গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘গাজা ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে আমাদের দেশের নীতির চেয়ে বেশি ব্যর্থ নীতির উদাহরণ খুঁজে পাওয়া কঠিন।

এ ছাড়া তিনি ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেস সদস্য আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিওকোর্তেজের সম্ভাব্য প্রার্থিতার প্রতি সমর্থন জানান। একই সঙ্গে নিউইয়র্ক পুলিশের কমিশনার জেসিকা টিশের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেন, তবে গুরুতর অপরাধের মামলায় সহযোগিতার পক্ষে মত দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা এখন নিউইয়র্কবাসীর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে এলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের ভাবনা মেয়র মামদানির

আপডেট সময় ১০:০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের দ্য ইন্টারভিউ পডকাস্টে সঞ্চালক লুলু গার্সিয়ানাভারোর সঙ্গে আলাপকালে মামদানি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর স্থান দ্য হেগে। তিনি একজন যুদ্ধাপরাধী, তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযোগ আনা হয়েছে।মামদানি বলেন, বিদেশি কোনও নেতাকে আটকের নির্দেশ নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগকে দেয়ার ক্ষমতা তার রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিউইয়র্ক সিটির আইন বিভাগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে আলোচনা করছেন। তিনি বলেন, ‘নিউইয়র্ক সিটিতে আইন আমাকে যতটুকু করার অনুমতি দেয়, আমরা ততটুকুই করব। তবে এ উদ্দেশ্যে আমরা নিজেরা নতুন কোনও আইন তৈরি করব না।

মেয়র নির্বাচনের প্রচারণার সময়ও মামদানি বলেছিলেন, নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার চেষ্টা করবেন তিনি। সম্প্রতি রেডিও উপস্থাপক সিড রোজেনবার্গকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেন নেতানিয়াহু। তিনি অভিযোগ করেন, মামদানি হামাসকে সমর্থন করেন। নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিনি কাকে নিন্দা করছেন আর কাকে প্রশংসা করছেন, সেটা আগে দেখা উচিত। তিনি ইসরায়েলের নিন্দা করছেনযে দেশটি আমেরিকার মূল্যবোধের পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একমাত্র গণতান্ত্রিক দেশ।

মামদানি একাধিকবার গাজায় ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলারও সমালোচনা করেছেন তিনি। সাক্ষাৎকারে মামদানি গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘গাজা ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে আমাদের দেশের নীতির চেয়ে বেশি ব্যর্থ নীতির উদাহরণ খুঁজে পাওয়া কঠিন।

এ ছাড়া তিনি ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেস সদস্য আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিওকোর্তেজের সম্ভাব্য প্রার্থিতার প্রতি সমর্থন জানান। একই সঙ্গে নিউইয়র্ক পুলিশের কমিশনার জেসিকা টিশের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেন, তবে গুরুতর অপরাধের মামলায় সহযোগিতার পক্ষে মত দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা এখন নিউইয়র্কবাসীর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।