ঢাকা , রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় ট্রাম্পের ওপর বাড়ছে চাপ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১০:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও তীব্র আকার নিয়েছে। টানা বিমান ও ড্রোন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান। এতে অঞ্চলজুড়ে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সংঘাতের মধ্যেই জর্ডানে দুই মার্কিন সেনা নিহত ও একজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্লেষকদের মতে, এই সামরিক অভিযানের যৌক্তিকতা জনগণের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে না পারায় সেনা হতাহতের দায়ের একটি অংশ ট্রাম্প প্রশাসনের দিকেও যেতে পারে।

এদিকে ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র পূর্বের সমঝোতা লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়েছে। তাই নিজেদের প্রতিশ্রুতি স্থগিত রেখে তারা এখন আত্মরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আরও কঠোর জবাব দিচ্ছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবিও করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়ে আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। এতে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বিশ্ব অর্থনীতিও বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় ট্রাম্পের ওপর বাড়ছে চাপ

আপডেট সময় ১১:১০:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও তীব্র আকার নিয়েছে। টানা বিমান ও ড্রোন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান। এতে অঞ্চলজুড়ে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সংঘাতের মধ্যেই জর্ডানে দুই মার্কিন সেনা নিহত ও একজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্লেষকদের মতে, এই সামরিক অভিযানের যৌক্তিকতা জনগণের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে না পারায় সেনা হতাহতের দায়ের একটি অংশ ট্রাম্প প্রশাসনের দিকেও যেতে পারে।

এদিকে ইরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র পূর্বের সমঝোতা লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়েছে। তাই নিজেদের প্রতিশ্রুতি স্থগিত রেখে তারা এখন আত্মরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আরও কঠোর জবাব দিচ্ছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবিও করেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়ে আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। এতে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও বিশ্ব অর্থনীতিও বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।