ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের পাশে স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসকেরা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অ্যাকশনে বিজেপি ও শরিকদের অস্বস্তি রান্নার সময় মাংসের রং হলো সবুজ, কড়াই নিয়ে থানায় হাজির শিশুকে বলাৎকার করে মাদরাসাশিক্ষক বললেন, ‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ তারেক রহমানের পাঙ্খা গজাইছে, সব পাঙ্খা ভেঙে মাটিতে পড়ে যাবে: পাটওয়ারী যে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে লাল কার্ড ধরিয়ে দিতে চান পাটওয়ারী, সেই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন সারজিস আলম সরকারি নির্দেশেই দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ, দাবি টেলিকম সংস্থাগুলোর বাবাকে হারিয়েও থামেনি জীবন, রাতের ডিউটি শেষে সকালে এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন ইকন মেয়েটা যে অরক্ষিত হলো, এই দায়ভার কে নেবে: মনিরা শারমিন

ভারতে ৪৫ দিনে ২৩টির বেশি মসজিদ-মাদরাসা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি সরকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গত দেড় মাসে মসজিদ, মাদরাসা, ঈদগাহ ও দরগাহসহ অন্তত ২৩টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙা বা আংশিকভাবে অপসারণের ঘটনা ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমমুসলিম মিরর’-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গত দেড় মাসে মসজিদ, মাদরাসা, ঈদগাহ ও দরগাহসহ অন্তত ২৩টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙা বা আংশিকভাবে অপসারণের ঘটনা ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমমুসলিম মিরর’-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ঘটনা মূলত বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলোতে বেশি ঘটেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারি জমি দখলমুক্তকরণ, অনুমোদনহীন স্থাপনা অপসারণ এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তবে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকের অভিযোগ, বহু বছর ধরে ব্যবহৃত ধর্মীয় স্থাপনাগুলোও একই অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, কিছু মসজিদ ও দরগাহ দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযানে এসব স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক জায়গায় প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, এসব অভিযান কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে নয়; বরং আইন প্রয়োগ ও নগর উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই পরিচালিত হচ্ছে।

ঘটনাগুলোকে ঘিরে মানবাধিকার সংগঠন ও সংখ্যালঘু অধিকার পর্যবেক্ষক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আহ্বান জানিয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে ভিন্নমুখী প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছেএকপক্ষ প্রশাসনের পদক্ষেপকে আইনগত ও উন্নয়নমূলক হিসেবে দেখছে, অন্যপক্ষ ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকারের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। ফলে বিষয়টি জনপরিসরে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইকনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী

ভারতে ৪৫ দিনে ২৩টির বেশি মসজিদ-মাদরাসা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি সরকার

আপডেট সময় ১০:৩৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

এবার ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গত দেড় মাসে মসজিদ, মাদরাসা, ঈদগাহ ও দরগাহসহ অন্তত ২৩টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙা বা আংশিকভাবে অপসারণের ঘটনা ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমমুসলিম মিরর’-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গত দেড় মাসে মসজিদ, মাদরাসা, ঈদগাহ ও দরগাহসহ অন্তত ২৩টিরও বেশি ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙা বা আংশিকভাবে অপসারণের ঘটনা ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমমুসলিম মিরর’-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ঘটনা মূলত বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলোতে বেশি ঘটেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারি জমি দখলমুক্তকরণ, অনুমোদনহীন স্থাপনা অপসারণ এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তবে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকের অভিযোগ, বহু বছর ধরে ব্যবহৃত ধর্মীয় স্থাপনাগুলোও একই অভিযানের আওতায় আনা হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, কিছু মসজিদ ও দরগাহ দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযানে এসব স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক জায়গায় প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, এসব অভিযান কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে নয়; বরং আইন প্রয়োগ ও নগর উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই পরিচালিত হচ্ছে।

ঘটনাগুলোকে ঘিরে মানবাধিকার সংগঠন ও সংখ্যালঘু অধিকার পর্যবেক্ষক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা স্বচ্ছ তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আহ্বান জানিয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে ভিন্নমুখী প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছেএকপক্ষ প্রশাসনের পদক্ষেপকে আইনগত ও উন্নয়নমূলক হিসেবে দেখছে, অন্যপক্ষ ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকারের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। ফলে বিষয়টি জনপরিসরে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।