ঢাকা , শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পলাশসহ চারজনকে সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক দিনের শুরুতে যে দোয়া পড়তেন নবিজি (সা.) ফিফা শান্তি পুরস্কার পাচ্ছেন ট্রাম্প যে আমলে দারিদ্র্য দূর হয় রাজনীতিতে ইসলাম মানে শুধু নাম নয়, কাজের মধ্যেও থাকতে হবে” বিএনপির এ্যানি নির্বাচনে অংশ নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত বিএনপি: বড় বিপর্যয় না হলে অংশগ্রহণের ঘোষণা রিজভীর বাংলাদেশে পাথর মেরে মানুষ হত্যার রাজনীতি আর চলবে না: জাহিদুল ইসলাম ‘এনসিপি নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ ও ছাত্রশক্তির শ্যামলী সুলতানা জেদনীর শুভ বিবাহ সম্পন্ন’ বিএনপির ২৭২ মনোনয়ন নিয়ে ক্ষোভ,১২ দলীয় জোটের জরুরি সংবাদ সম্মেলন সোমবার “কুরআনের বাংলাদেশ গড়তেই আমাদের লড়াই,চট্টগ্রামে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান”

২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ, বিশ্বব্যাংক সতর্ক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৫১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪২৪ বার পড়া হয়েছে

 

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলো—বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান—বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হবে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাত্র আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মানুষ চরম জলবায়ু ঝুঁকির মুখোমুখি হবে।

উচ্চ তাপমাত্রা, ভয়াবহ বন্যা ও উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধির ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জরিপে দেখা গেছে, পরিবারের ৮০ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠানের ৬৩ শতাংশ ইতোমধ্যে কিছু না কিছু অভিযোজনমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে, যদিও তারা সাধারণত কম খরচের সমাধানের ওপর নির্ভর করছে।

বাংলাদেশের ২৫০টি উপকূলীয় গ্রামে জরিপে দেখা গেছে, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। দীর্ঘমেয়াদে ৫৭ শতাংশ পরিবার পর্যাপ্ত দুর্যোগ-সুরক্ষা অবকাঠামোর অভাবকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, আর ৫৬ শতাংশ পরিবার আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রয়োজনীয় অভিযোজন করতে পারছে না।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগাম সতর্কবার্তা, সামাজিক সুরক্ষা, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি এবং ঝুঁকিভিত্তিক অর্থায়ন বৃদ্ধি করলে ক্ষতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এড়ানো সম্ভব। বেসরকারি খাতকে সামনে এনে সমন্বিত নীতি-প্যাকেজ গ্রহণ এবং শহর ও গ্রামে লক্ষ্যভিত্তিক হস্তক্ষেপ জরুরি।

জ্যাঁ পেসমে, বাংলাদেশের ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর, বলেন, “বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা বারবার পরীক্ষিত হচ্ছে; তাই আরও কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য। সঠিক বিনিয়োগ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললে স্থানীয় অভিযোজনের সাফল্য আরও বাড়ানো সম্ভব।”


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পলাশসহ চারজনকে সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক

২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ, বিশ্বব্যাংক সতর্ক

আপডেট সময় ০৮:৫১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলো—বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান—বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হবে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাত্র আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মানুষ চরম জলবায়ু ঝুঁকির মুখোমুখি হবে।

উচ্চ তাপমাত্রা, ভয়াবহ বন্যা ও উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধির ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জরিপে দেখা গেছে, পরিবারের ৮০ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠানের ৬৩ শতাংশ ইতোমধ্যে কিছু না কিছু অভিযোজনমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে, যদিও তারা সাধারণত কম খরচের সমাধানের ওপর নির্ভর করছে।

বাংলাদেশের ২৫০টি উপকূলীয় গ্রামে জরিপে দেখা গেছে, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। দীর্ঘমেয়াদে ৫৭ শতাংশ পরিবার পর্যাপ্ত দুর্যোগ-সুরক্ষা অবকাঠামোর অভাবকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, আর ৫৬ শতাংশ পরিবার আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রয়োজনীয় অভিযোজন করতে পারছে না।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগাম সতর্কবার্তা, সামাজিক সুরক্ষা, জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি এবং ঝুঁকিভিত্তিক অর্থায়ন বৃদ্ধি করলে ক্ষতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এড়ানো সম্ভব। বেসরকারি খাতকে সামনে এনে সমন্বিত নীতি-প্যাকেজ গ্রহণ এবং শহর ও গ্রামে লক্ষ্যভিত্তিক হস্তক্ষেপ জরুরি।

জ্যাঁ পেসমে, বাংলাদেশের ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর, বলেন, “বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা বারবার পরীক্ষিত হচ্ছে; তাই আরও কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য। সঠিক বিনিয়োগ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললে স্থানীয় অভিযোজনের সাফল্য আরও বাড়ানো সম্ভব।”