ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের চাকরিকে ব্যবসায় বলা সেই ওসি প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন পাওনা টাকার দাবিতে জানাজা আটকে রাখার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে, সমালোচনার ঝড় হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬,১৭৫ বাংলাদেশি হাজি, সৌদি আরবে মৃত্যু ৩৭ জনের ইরাক যুদ্ধকে ‘চরম বোকামি’ বললেন ট্রাম্প, ইরানেও মার্কিন উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন জেলা প্রশাসকের কাছে ১০ কোটি টাকার ব্যাখ্যা চাইলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ হাকিমপুরে কথিত বাংলাদেশিদের ভিড়, কী ঘটছে সীমান্তে জামায়াত-এনসিপির টাকা মানেই জান্নাতের টাকা: রাশেদ খাঁন ঈদের ছুটিতে জবি ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে নূরজাহান বেগমের স্বপ্নপূরণ তৃণমূল নেতা অভিষেককে ডিম-জুতো নিক্ষেপ, হেলমেট পরে গেলেন নিহত কর্মীর বাড়িতে

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • ৬৪৯ বার পড়া হয়েছে

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিলের সিদ্ধান্ত রহিত (বাতিল) করা হয়েছে। একইসঙ্গে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ এর নির্বাচিত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০১৬ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার। পরে জাতীয় জাদুঘর থেকে তার পুরস্কারের মেডেল ও সম্মাননাপত্র সরিয়ে ফেলা হয়।

আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে নেয়া এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ২০০৩ সালে দেয়া স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর) মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পটভূমিতে ২০১৬ সালে সরকার বাতিল করে।

তবে এ রায়ে তাকে প্রদত্ত স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিলের কোনো নির্দেশনা না থাকায় মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অসাধারণ অবদান বিবেচনায় তার স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিলের এ সিদ্ধান্ত সরকার রহিত করেছে। এদিকে, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবার ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

যেসব ব্যক্তিকে এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, তার মধ্যে রয়েছেন—বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর), শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর এবং প্রতিবাদী তারুণ্যে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের চাকরিকে ব্যবসায় বলা সেই ওসি প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ০৭:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিলের সিদ্ধান্ত রহিত (বাতিল) করা হয়েছে। একইসঙ্গে স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ এর নির্বাচিত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২০১৬ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার। পরে জাতীয় জাদুঘর থেকে তার পুরস্কারের মেডেল ও সম্মাননাপত্র সরিয়ে ফেলা হয়।

আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে নেয়া এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ২০০৩ সালে দেয়া স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর) মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পটভূমিতে ২০১৬ সালে সরকার বাতিল করে।

তবে এ রায়ে তাকে প্রদত্ত স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিলের কোনো নির্দেশনা না থাকায় মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অসাধারণ অবদান বিবেচনায় তার স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিলের এ সিদ্ধান্ত সরকার রহিত করেছে। এদিকে, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবার ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

যেসব ব্যক্তিকে এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, তার মধ্যে রয়েছেন—বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর), শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর এবং প্রতিবাদী তারুণ্যে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।