ঢাকা , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভিআইপি গ্যালারিতে থাকছেন ট্রাম্প, আর্জেন্টিনা-স্পেনের প্রধানরা থাকছেন কি? ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ বললেন যুক্তরাজ্যের হবু প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ এক দফার ঘোষণা করেছিল: রাশেদ খান আইনমন্ত্রীর পরিচয়ে প্রতারণা করতেন আতিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় ফাইনালের আগে নিউইয়র্কে বায়ুদূষণ সতর্কতা ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পর্শকাতর তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাস চুয়াডাঙ্গায় বাল্যবিয়ের আয়োজনে প্রশাসনের হানা, কনের মাকে জরিমানা লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হলেন যুক্তরাজ্যের হবু প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফরের বিচার অন্য আসামিদের মতোই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেক্সিকোতে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

বাংলাদেশ এখন আমাদের ‘সেকেন্ড হোম’: আর্জেন্টাইন সমর্থক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

ফুটবল যে শুধু একটি খেলা নয়, বরং দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতির সীমানা অতিক্রম করে মানুষের হৃদয়কে এক সুতোয় গেঁথে দিতে পারে তার আরেকটি উদাহরণ দেখা গেল আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার পর।  চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করার আনন্দঘন মুহূর্তে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কণ্ঠে উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। তারা বাংলাদেশকে আখ্যা দিয়েছেন নিজেদেরসেকেন্ড হোমহিসেবে।

ম্যাচ শেষে স্টেডিয়ামের বাইরে বিজয়োৎসবে মেতে ওঠা আর্জেন্টাইন সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। সেখানে এক সমর্থক আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা সত্যিই অসাধারণ। আর্জেন্টিনার প্রতি তাদের নিঃস্বার্থ সমর্থনের কারণেই বাংলাদেশ এখন আমাদেরসেকেন্ড হোম

বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন নতুন নয়। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কোটি ফুটবলপ্রেমীর উচ্ছ্বাস আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। সেই ভালোবাসার ধারাবাহিকতা ২০২৬ বিশ্বকাপেও বজায় রয়েছে। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি, কোচ লিওনেল স্কালোনিসহ দলের বিভিন্ন সদস্য অতীতেও বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। প্রতিটি ম্যাচেই বাংলাদেশের শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত অসংখ্য সমর্থক রাত জেগে প্রিয় দলের জন্য উল্লাস করেছেন, যা আর্জেন্টাইনদের মন ছুঁয়ে গেছে।

ফাইনালে ওঠার আনন্দে উচ্ছ্বসিত আর্জেন্টাইন সমর্থকদের প্রত্যাশা, শিরোপা জিততে পারলে সেই উৎসব শুধু বুয়েনস আইরেসেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং ঢাকার অলিগলি থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে বিজয়ের আনন্দ। তাদের বিশ্বাস, আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশের এই ফুটবলভালোবাসার বন্ধন ভবিষ্যতেও আরও দৃঢ় হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিআইপি গ্যালারিতে থাকছেন ট্রাম্প, আর্জেন্টিনা-স্পেনের প্রধানরা থাকছেন কি?

বাংলাদেশ এখন আমাদের ‘সেকেন্ড হোম’: আর্জেন্টাইন সমর্থক

আপডেট সময় ০২:০৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

ফুটবল যে শুধু একটি খেলা নয়, বরং দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতির সীমানা অতিক্রম করে মানুষের হৃদয়কে এক সুতোয় গেঁথে দিতে পারে তার আরেকটি উদাহরণ দেখা গেল আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার পর।  চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করার আনন্দঘন মুহূর্তে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কণ্ঠে উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। তারা বাংলাদেশকে আখ্যা দিয়েছেন নিজেদেরসেকেন্ড হোমহিসেবে।

ম্যাচ শেষে স্টেডিয়ামের বাইরে বিজয়োৎসবে মেতে ওঠা আর্জেন্টাইন সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। সেখানে এক সমর্থক আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা সত্যিই অসাধারণ। আর্জেন্টিনার প্রতি তাদের নিঃস্বার্থ সমর্থনের কারণেই বাংলাদেশ এখন আমাদেরসেকেন্ড হোম

বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন নতুন নয়। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কোটি ফুটবলপ্রেমীর উচ্ছ্বাস আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। সেই ভালোবাসার ধারাবাহিকতা ২০২৬ বিশ্বকাপেও বজায় রয়েছে। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি, কোচ লিওনেল স্কালোনিসহ দলের বিভিন্ন সদস্য অতীতেও বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। প্রতিটি ম্যাচেই বাংলাদেশের শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত অসংখ্য সমর্থক রাত জেগে প্রিয় দলের জন্য উল্লাস করেছেন, যা আর্জেন্টাইনদের মন ছুঁয়ে গেছে।

ফাইনালে ওঠার আনন্দে উচ্ছ্বসিত আর্জেন্টাইন সমর্থকদের প্রত্যাশা, শিরোপা জিততে পারলে সেই উৎসব শুধু বুয়েনস আইরেসেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং ঢাকার অলিগলি থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে বিজয়ের আনন্দ। তাদের বিশ্বাস, আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশের এই ফুটবলভালোবাসার বন্ধন ভবিষ্যতেও আরও দৃঢ় হবে।