এবার লাল কার্ড দেখানোর জেরে মাঠেই রেফারির ওপর হামলার ঘটনায় ব্রাজিলের ফুটবলাঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ম্যাচ পরিচালনার সময় এক খেলোয়াড় মাথা দিয়ে সজোরে আঘাত করলে রেফারির মুখের হাড় ভেঙে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। ওলে ডটকম ঘটনাটি ঘটেছে সম্প্রতি ব্রাজিলের ইটাপেতিনিঙ্গা অ্যারেনাস অ্যামেচার চ্যাম্পিয়নশিপে প্রোজেতো অ্যাথেনাস ও সালভে কেব্রাদা দলের মধ্যকার ম্যাচে। ম্যাচটি পরিচালনা করছিলেন রেফারি জুলিয়ানো আসিস দে সুজা।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ম্যাচ চলাকালে সহিংস আচরণের অভিযোগে প্রোজেতো অ্যাথেনাসের খেলোয়াড় ফ্যাবিনহোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে ফ্যাবিনহো প্রথমে রেফারির দিকে তেড়ে যান। একপর্যায়ে তিনি আচমকা মাথা দিয়ে রেফারির মুখে জোরালো আঘাত করেন। এতে রেফারি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর মাঠে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্ত খেলোয়াড় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার পর কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইটাপেতিনিঙ্গা সিটি কাউন্সিল। অভিযুক্ত খেলোয়াড় ফ্যাবিনহোকে পৌরসভা আয়োজিত সব ধরনের ফুটবল প্রতিযোগিতা থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি তার দল প্রোজেতো অ্যাথেনাসকে চলমান টুর্নামেন্ট থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দেশটির ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় দলটির ওপর দুই বছরের নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।
আহত রেফারি জুলিয়ানো আসিস দে সুজা জানিয়েছেন, হামলার ঘটনায় তিনি ফ্যাবিনহোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করবেন। অন্যদিকে প্রোজেতো অ্যাথেনাসও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অভিযুক্ত খেলোয়াড়কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সহিংস আচরণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























