ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেলের জমি কেটে ঝুঁকিতে হার্ডিং ব্রিজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:২৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা হার্ডিং ব্রিজের নিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন শঙ্কা। অভিযোগ উঠেছে, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় ব্রিজসংলগ্ন রেলওয়ের সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, রাতের আঁধারে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নিয়মিত এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, যা ব্রিজের নিরাপত্তা এবং আশপাশের অবকাঠামোর জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রেলের জমির বিভিন্ন স্থানে গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে করে বিভিন্ন ইটভাটা ও জমি ভরাটের কাজে নেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত ওজনের ট্রাক চলাচলে এলাকার সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে মাটি কাটার অভিযোগে যাদের নাম স্থানীয়ভাবে উঠে এসেছে, তাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিরুল আরাফাত জানিয়েছেন, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, সরকারি জমিতে অবৈধভাবে মাটি কাটার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগ তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঐতিহাসিক হার্ডিং ব্রিজ, সরকারি সম্পদ এবং স্থানীয় অবকাঠামো রক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রেলের জমি কেটে ঝুঁকিতে হার্ডিং ব্রিজ

আপডেট সময় ০৬:২৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা হার্ডিং ব্রিজের নিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন শঙ্কা। অভিযোগ উঠেছে, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় ব্রিজসংলগ্ন রেলওয়ের সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, রাতের আঁধারে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নিয়মিত এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, যা ব্রিজের নিরাপত্তা এবং আশপাশের অবকাঠামোর জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রেলের জমির বিভিন্ন স্থানে গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্রাকে করে বিভিন্ন ইটভাটা ও জমি ভরাটের কাজে নেওয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত ওজনের ট্রাক চলাচলে এলাকার সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে মাটি কাটার অভিযোগে যাদের নাম স্থানীয়ভাবে উঠে এসেছে, তাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিরুল আরাফাত জানিয়েছেন, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, সরকারি জমিতে অবৈধভাবে মাটি কাটার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগ তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঐতিহাসিক হার্ডিং ব্রিজ, সরকারি সম্পদ এবং স্থানীয় অবকাঠামো রক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।