ঢাকা , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভিআইপি গ্যালারিতে থাকছেন ট্রাম্প, আর্জেন্টিনা-স্পেনের প্রধানরা থাকছেন কি? ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ বললেন যুক্তরাজ্যের হবু প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ এক দফার ঘোষণা করেছিল: রাশেদ খান আইনমন্ত্রীর পরিচয়ে প্রতারণা করতেন আতিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় ফাইনালের আগে নিউইয়র্কে বায়ুদূষণ সতর্কতা ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পর্শকাতর তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাস চুয়াডাঙ্গায় বাল্যবিয়ের আয়োজনে প্রশাসনের হানা, কনের মাকে জরিমানা লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হলেন যুক্তরাজ্যের হবু প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফরের বিচার অন্য আসামিদের মতোই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেক্সিকোতে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

বিজেপির বিরুদ্ধে ফের সরব মমতা, দিলেন কঠোর বার্তা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

দলের ভেতরে কোন্দল, একের পর এক নেতা দল ছাড়ছেন, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও চলছে নানা জল্পনা। এমন পরিস্থিতিতেই লড়াই থেকে সরে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, “করবো, লড়বো, বাঁচবো”—আর বিজেপির শেষ দেখেই মাঠ ছাড়বেন।


বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভার্চুয়াল বার্তায় ৭১ বছর বয়সী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বয়স নয়, মানুষের আসল শক্তি তার মনোবল। তাই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন তার মৃত্যু কামনা করা হয়েছিল। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সব ষড়যন্ত্রের জবাব দিয়েই বিজেপির রাজনৈতিক পরিণতি দেখে তবেই বিদায় নেবেন।

দলীয় কোন্দল প্রসঙ্গে মমতা বলেন, যারা তৃণমূল ছেড়ে যেতে চান, তারা যেতে পারেন। কিন্তু দলের বিশ্বস্ত কর্মীরাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। ১৯৯৭ ও ২০০৪ সালের মতো কঠিন সময়েও তিনি একা লড়েছেন, প্রয়োজন হলে ২০২৬ সালের নির্বাচনেও নতুন করে লড়াই শুরু করবেন।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তিন প্রজন্মের নেতৃত্ব তৈরি করেছেন এবং সংকটের সময় তাদের পাশে থাকবেন।

এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের ভেতরে অসন্তোষ ও বিভক্তি আরও স্পষ্ট হয়েছে। দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, একাধিক নেতার দলত্যাগ এবং আসন্ন ২১ জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলাদা সমাবেশের প্রস্তুতি রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে তুলেছে।

সব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপ, দলীয় সংকট ও বিরোধীদের সমালোচনার মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এই ঘোষণার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে কতটা পড়ে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিআইপি গ্যালারিতে থাকছেন ট্রাম্প, আর্জেন্টিনা-স্পেনের প্রধানরা থাকছেন কি?

বিজেপির বিরুদ্ধে ফের সরব মমতা, দিলেন কঠোর বার্তা

আপডেট সময় ০৩:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

দলের ভেতরে কোন্দল, একের পর এক নেতা দল ছাড়ছেন, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও চলছে নানা জল্পনা। এমন পরিস্থিতিতেই লড়াই থেকে সরে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, “করবো, লড়বো, বাঁচবো”—আর বিজেপির শেষ দেখেই মাঠ ছাড়বেন।


বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভার্চুয়াল বার্তায় ৭১ বছর বয়সী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বয়স নয়, মানুষের আসল শক্তি তার মনোবল। তাই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন তার মৃত্যু কামনা করা হয়েছিল। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সব ষড়যন্ত্রের জবাব দিয়েই বিজেপির রাজনৈতিক পরিণতি দেখে তবেই বিদায় নেবেন।

দলীয় কোন্দল প্রসঙ্গে মমতা বলেন, যারা তৃণমূল ছেড়ে যেতে চান, তারা যেতে পারেন। কিন্তু দলের বিশ্বস্ত কর্মীরাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। ১৯৯৭ ও ২০০৪ সালের মতো কঠিন সময়েও তিনি একা লড়েছেন, প্রয়োজন হলে ২০২৬ সালের নির্বাচনেও নতুন করে লড়াই শুরু করবেন।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তিন প্রজন্মের নেতৃত্ব তৈরি করেছেন এবং সংকটের সময় তাদের পাশে থাকবেন।

এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের ভেতরে অসন্তোষ ও বিভক্তি আরও স্পষ্ট হয়েছে। দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ, একাধিক নেতার দলত্যাগ এবং আসন্ন ২১ জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলাদা সমাবেশের প্রস্তুতি রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে তুলেছে।

সব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপ, দলীয় সংকট ও বিরোধীদের সমালোচনার মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এই ঘোষণার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে কতটা পড়ে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।