ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছিল পাকিস্তান। তবে নতুন পরিস্থিতিতে সেই ইসলামাবাদই এবার সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের সৌদি আরবে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই আশঙ্কা আরও বেড়েছে। কারণ, সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় ইতোমধ্যে হাজার হাজার পাকিস্তানি সেনা ও যুদ্ধবিমান দেশটিতে মোতায়েন রয়েছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সৌদি আরবের ওপর যেকোনো হামলাকে পাকিস্তানের ওপর হামলা হিসেবেই বিবেচনা করা হবে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হলে ইসলামাবাদকে সামরিকভাবে জড়িয়েও পড়তে হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, হুতিদের হামলা শুধু সৌদি-হুতি যুদ্ধবিরতিই ভেঙে দেয়নি, বরং পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাকেও বড় সংকটে ফেলেছে। একই সঙ্গে লোহিত সাগরের বাণিজ্যপথ অচল হওয়ার আশঙ্কা পাকিস্তানের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্যও বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এদিকে পাকিস্তান এখনো সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন এবং সংলাপের মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে কূটনীতির পথ ছেড়ে ইসলামাবাদকেও কঠিন সামরিক সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























