যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে চীন। বেইজিং বলছে, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো তাদের নীতির পরিপন্থী।
শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার কোনো আগ্রহই চীনের নেই। ওয়াশিংটনের অভিযোগের বাস্তব বা তথ্যগত কোনো ভিত্তি নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টেলিভিশন ভাষণে অভিযোগ করেন, ২০২০ সালের নির্বাচনী সময় থেকে চীন অবৈধভাবে প্রায় ২২ কোটি মার্কিন ভোটারের ব্যক্তিগত তথ্যের নাগাল পেয়েছে। তিনি এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নির্বাচনী তথ্য চুরির ঘটনা বলে উল্লেখ করেন।
তবে ট্রাম্পের সেই অভিযোগের জবাবে চীন জানায়, তারা সবসময় অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে অটল। একই সঙ্গে বেইজিং পাল্টা প্রশ্ন তোলে—বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের রাজনীতি, সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে নজরদারি চালিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে আসলে কোন দেশ?
চীন-যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন বাকযুদ্ধ দুই দেশের চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























