বিশ্বকাপে লামিন ইয়ামাল যখন মাঠে পায়ের জাদু দেখিয়ে স্পেনকে এগিয়ে নিচ্ছেন, ঠিক তখন গ্যালারিতে কোটি দর্শকের মন জয় করছে আরেক ছোট্ট তারকা—তার সৎ ভাই, কেইন।
মাত্র তিন বছরের কেইন স্পেনের প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে ক্যামেরার নজর কাড়ছে। তার হাসি, দুষ্টুমি, নাচ আর মজার অঙ্গভঙ্গির ভিডিও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেক ফুটবলপ্রেমী ইতোমধ্যেই তাকে এবারের বিশ্বকাপের ‘খুদে সুপারস্টার’ বলেও আখ্যা দিচ্ছেন।
ইয়ামাল ও কেইনের মা একই হলেও তাদের বাবা আলাদা। বয়সের ব্যবধান প্রায় ১৫ বছর। তবে সেই ব্যবধান কখনোই দুই ভাইয়ের ভালোবাসায় প্রভাব ফেলেনি। ইয়ামাল নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ছোট ভাই তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান মানুষ, অনেক সময় তাকে নিজের সন্তানের মতোই মনে হয়।
এটি অবশ্য কেইনের প্রথম আলোচনায় আসা নয়। ২০২৪ সালের ইউরো জয়ের পর ভাইয়ের সঙ্গে শিরোপা উদযাপন এবং ব্যালন ডি’অরের লাল গালিচায় তার উপস্থিতিও নজর কেড়েছিল সবার।
এবার বিশ্বকাপেও একই চিত্র। বড় ভাই মাঠে গোল আর জাদুকরী পারফরম্যান্সে মুগ্ধ করছেন, আর ছোট ভাই গ্যালারিতে নিষ্পাপ হাসি দিয়ে জয় করে নিচ্ছে কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়। দুই ভাইয়ের এই ভালোবাসার গল্পই যেন বিশ্বকাপের সবচেয়ে মানবিক ও সুন্দর মুহূর্তগুলোর একটি।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























