চাকরির তাগিদে বেশিরভাগ সময়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন বীরভূমের সাঁইথিয়ার বাসিন্দা বাপি মণ্ডল। সংসারের খরচ চালাতে বন্ধুর হাতে টাকা পাঠাতেন স্ত্রী সঞ্চারীর কাছে। কিন্তু সেই বন্ধুর সঙ্গেই গোপনে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন স্ত্রী। পরে স্বামীর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলাও করেন তিনি এবং গত আট মাস ধরে বাপের বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
সোমবার (১০ নভেম্বর) হঠাৎ স্ত্রী ও বন্ধুকে একসঙ্গে ঘুরতে দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বাপি। এরপর স্থানীয় নন্দিকেশ্বরীতলা মন্দিরে নিয়ে গিয়ে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন তিনি। উপস্থিত স্থানীয়দের সামনে বাপি বলেন,
“আজ থেকে আমি মুক্ত। আমার বউ এখন আমার বন্ধুর বউ। ওর ভরণপোষণের দায়িত্ব এবার থেকে বন্ধুর।”
নয় বছর আগে তারাপীঠের সঞ্চারীর সঙ্গে বিয়ে হয় লরিচালক বাপির। বাপির ঘনিষ্ঠ বন্ধু জিৎও একই পেশার। সংসারের প্রয়োজনে দূরে থাকতে হতো বাপিকে, আর সেই সুযোগেই সঞ্চারী ও জিতের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।
বাপি জানান, অনেকদিন ধরেই সন্দেহ করছিলেন কিন্তু ছেলের ভবিষ্যৎ ও লোকলজ্জার ভয়ে চুপ ছিলেন। আদালতে তার বিরুদ্ধে এখনো নারী নির্যাতনের মামলা চলমান।
অন্যদিকে জিৎ বলেন, “আমাদের প্রেম অনেকদিনের। বিয়ে করব বলেই ঠিক করেছিলাম। বন্ধুকে বলতে পারছিলাম না, আজ সব পরিষ্কার হয়ে গেল।”
বাপি বলেন, “সে যখন আমার সঙ্গে সংসার করবে না, তখন এই সমাধানই ভালো। পুলিশকে সাক্ষী রেখে তাকে জিতের হাতে তুলে দিয়েছি। আশা করি, এবার মামলা তুলে নেবে।”
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

ডেস্ক রিপোর্ট 

























