ঢাকা , সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পেরু, বহু হতাহত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

পেরুর আন্দিজ অঞ্চলে ৫.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। রোববার (১৯ জুলাই) দেশটির ‘লা রিপাবলিকা’ পত্রিকার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

 

পেরুর জিওফিজিক্স ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার (১৮ জুলাই) রাতের এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল চুয়াপাকা শহরের কাছে। রাজধানী লিমা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার (১৮০ মাইল) পূর্বে অবস্থিত চংগোস বাজো শহরকে লক্ষ্য করে এই কম্পন আঘাত হানে। এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

 

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে চোনগোস বাহো জেলা। এখানেই প্রাণহানির ঘটনাগুলো ঘটেছে, যদিও নিহতদের পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

ভূমিকম্পের প্রভাবে বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনা ও ঐতিহ্যবাহী স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

 

দুর্গত এলাকাগুলোতে জরুরি সহায়তা দল মোতায়েন করা হয়েছে। তারা উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল পেরু, বহু হতাহত

আপডেট সময় ১১:৫২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

পেরুর আন্দিজ অঞ্চলে ৫.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। রোববার (১৯ জুলাই) দেশটির ‘লা রিপাবলিকা’ পত্রিকার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

 

পেরুর জিওফিজিক্স ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার (১৮ জুলাই) রাতের এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল চুয়াপাকা শহরের কাছে। রাজধানী লিমা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার (১৮০ মাইল) পূর্বে অবস্থিত চংগোস বাজো শহরকে লক্ষ্য করে এই কম্পন আঘাত হানে। এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

 

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে চোনগোস বাহো জেলা। এখানেই প্রাণহানির ঘটনাগুলো ঘটেছে, যদিও নিহতদের পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

ভূমিকম্পের প্রভাবে বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনা ও ঐতিহ্যবাহী স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

 

দুর্গত এলাকাগুলোতে জরুরি সহায়তা দল মোতায়েন করা হয়েছে। তারা উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ করছেন।